
লঞ্চে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন, নিম্নমানের খাদ্য পরিবেশন ও অতিরিক্ত মূল্য আদায় রোধকল্পে মতবিনিময়


চাঁদপুর নৌ-টার্মিনালে যাতায়াতকারি লঞ্চসমূহে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন, নিন্মমানের খাদ্য পরিবেশন ও অতিরিক্ত মূল্য আদায় রোধকল্পে মতবিনিময় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিদ্ব করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।
এসময় তিনি বলেন, প্রতিটি যাত্রীবাহী লঞ্চএ হট লাইন নাম্বার দির্শমান সকল স্থানে লাগাতে হবে। যাতে করে যাত্রিরা তাদের অভিযোগ সমূহ ঐ নাম্বারে জানাতে পারেন। লঞ্চ থেকে কোনভাবেই বর্জ্য নদীতে ফেলা যাবে না। অনেক লঞ্চ ঘাটে ভীরে লঞ্চ এ থাকা বর্জ্য ঘাটের সমানে নদীর পানিতে ফেলে দেয় তা রোধ করতে হবে। কেবিনের সামনে যাতে অতিরিক্ত চেয়ার না থাকে বা ডেকের যাত্রীগণ ভীর না করেন সেদিকে লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে খেয়াল রাখেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, টয়লেটের ওয়েস্ট সরাসরি নদীতে ফেলা কি করে বন্ধ করা যায় সে বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ উদর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করবেন। রকেট স্টিমার ঢাকা চাঁদপুর রুটে চালু করার জন্য চেষ্টা করবো। ঈদের সময়ে অনেক অভিযোগ এসছে মোটর সাইকেল লঞ্চএ পরিবহবনে বেশি টাকা নেওয়া হয়।
সকল লঞ্চে টয়লেট যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে তা এনসিউর করতে হবে। খাবার পানির বিষয়ে লঞ্চ মালিকদের খেয়াল রাখতে হবে। লঞ্চে যে ক্যান্টিন রয়েছে তাতে পণ্যের দাম বেশী দাম রাখা হয় যা কোনভাবেই কাম্য নয়।


সভায় আরও বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর নদীবন্দর কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, চাঁদপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান, ক্যাব ও লঞ্চ মালিক প্রতিনিধি মোহাম্মদ বিপ্লব সরকার, আজগর আলী সরকার, ইউসুফ আলী বেপারী।
এসময় চাঁদপুর নদীবন্দরের তত্তাবধায়ক সাইফুল ইসলাম, চাঁদপুর নৌ থানার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, ঢাকা চাঁদপুর রুটে ২০/২২টি লঞ্চ চলাচল করে। প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। লঞ্চগুলোতে ৫০০ থেকে সাড়ে ৯০০ যাত্রী বহন করতে পারে। লঞ্চ মালিকরা যাত্রী সেবা নিশ্চিতে প্রতিনিয়ত কাজ করছে। এ বিষয়ে লঞ্চ মালিক প্রতিনিধিরা লঞ্চের যাত্রীদের সেবার প্রতি খেয়াল রাখে। কেন্টিনে যেন বাসী খাবার পরিবেশন না করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। লঞ্চে ক্যান্টিনে পেন্যের দাম বাজার মূল্য থেকে ডাবাল অনেক সময় তার থকেও বেশী রাখা হয়। কিছু কিছু সময়ে বাসী খাবারও পরিবেশন করা হয়। এইসব যেন না হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন গুরুত্ব সহকারে দেখেন বিষয়টি।


























