
মৃত্যুফাঁদে মতলবের মেঘনা-ধনাগোদা বেড়িবাঁধ, পাঁচ শতাধিক গর্তে ঝুঁকিতে লাখো মানুষ


চাঁদপুরের মেঘনা-ধনাগোদা বেড়িবাঁধ এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা ও টানা বর্ষণে ৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বাঁধ সড়কে সৃষ্টি হয়েছে পাঁচ শতাধিক গর্ত ও ধস।
মতলব উত্তর উপজেলার আমিরাবাদ, মোহনপুর, ষাটনল, শিকিরচর, এখলাসপুর ও জনতাবাজার এলাকার অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। কোথাও বিশাল গর্ত, কোথাও সড়ক ধসে পড়েছে । প্রতিটি বৃষ্টির পর বাড়ছে নতুন গর্ত।
দুর্ঘটনা এড়াতে স্থানীয়রা গর্তের পাশে লাল কাপড় ও গাছের ডাল দিয়ে সতর্ক সংকেত দিয়েছেন। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন ও মানুষ চলাচল করছে এই বাঁধ দিয়ে।


১৯৮৭-৮৮ সালে নির্মিত এই বেড়িবাঁধ দিয়ে চাঁদপুর, ঢাকা, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালীর যানবাহন চলাচল করে। পাশাপাশি প্রায় ৩২ হাজার একর কৃষিজমিও এই বাঁধের ওপর নির্ভরশীল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর সমস্যার কথা জানানো হলেও স্থায়ী সংস্কার হয়নি।
সুজন চাঁদপুরের সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশা বলেন, “বর্ষায় বাঁধের এমন অবস্থা লাখো মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।”
মেঘনা-ধনাগোদা পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সেলিম শাহেদ দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন।
সচেতন মহলের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত অংশে জরুরি মেরামতের পাশাপাশি পুরো বেড়িবাঁধের টেকসই সংস্কার এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি পুরো অঞ্চলের জননিরাপত্তা ও কৃষি অর্থনীতি হুমকির মুখে পড়বে।

























