করোনাকালের শিক্ষা (১ম পর্ব)

Default User
পপুলার বিডিনিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ মে ১৬, ২০২০ | ৪:১১
Link Copied Successfully!

‘করোনাকালের শিক্ষা’ নিয়ে পপুলার বিডিনিউজ ডটকমে ধারাবাহিক লিখছেন ডা. রাজেশ সাহা। ক্লিক করে পড়ুন বিস্তারিত

‘ন্যূনতম বিবেক থাকলে উন্নত ক্ষমতাধর দেশগুলো মারণাস্ত্র না বানিয়ে ভবিষ্যতে চিকিৎসা বিজ্ঞানের কল্যাণে মনোনিবেশ করবে।’

করোনা যদি তাদের কিছু বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটায় এটাই হবে কাম্য।
অবশ্য কীটসম জীবন ধারণকারী যুদ্ধাংদেহী আমেরিকান আর আমাদের পূর্ব পুরুষদের রক্ত চোষা নীতিবাগীশ ইউরোপিয়ানরা সেই পথে চলবে কিনা তা বলার সময় এখনো আসেনি।
আমরা অনেকেই এতকাল ভাবতাম শুধু আমরাই তৃতীয় বিশ্বের তকমা লাগানো ওয়ালারাই দীনমজুর।
আসলে বিশ্বটাই এক মজুরশালা।
বিপদে পড়লে সব বেটার ই এক দশা।টেনে টুনে স্টিচি কাপড়কে লম্বা করা গেলেও লক্ষ্মীর ভাঁড়ার শূণ্য হওয়া ঠেকাতে অনেক রাজাদের ও বেগ পেতে হচ্ছে। আগে পেট বাঁচুক, এই নীতিতে চলছে সারা বিশ্ব এখন।।
দুখের মাঝেও আশা আছে। যদিও সে আশায় প্রায় তিন লক্ষ মানুষ ইতোমধ্যে আত্মাহুতি দিয়েছেন। সেই সংখ্যা আমাদের দরিদ্র দেশ গুলোতে হলে এতদিনে চিৎকারে ঢিঢি পড়ে যেত ডঐঙ, টঘ আর পেট মোটা আমেরিকানদের। দুচার ঘা, উত্তম মধ্যম যে পড়ত না তাও নয়। একদিকে ভাগ্য ভাল। উৎপত্তি যেহেতু চীনে, যে কিনা হাল আমলের উঠতি মোড়ল, তাই বুঝে শুনে পা দিচ্ছে বিশ্ব। ভারত বর্ষ হলে এত দিনে সারাবিশ্ব হতে একঘরে হওয়া নিশ্চিত ছিল। তাই আশায় বুক বাঁধি, অন্তত আর যা হোক ঠেকায় পড়ে হলেও এই মরণ ব্যাধির ভ্যাক্সিন আসতে খুব সময় লাগবে না।
অন্তত এরা, বিশ্বমোড়লরা সে ব্যাপারে বেশ তৎপর। যুদ্ধবাজ হলেও বেঁচে ত থাকতে হবে আগে,তাই নয় কি?আমাদের আশার স্থল সেটাই। এ বছরের শেষে বা ২০২১ এর মাঝামাঝি বিশ্ব একটি ভাল মানের ভ্যাক্সিন পেতে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বে বিজ্ঞান চর্চায় যত না ব্যয় হয় তার চাইতে বেশি হয় সমরাস্ত্রে আর রূপচর্চায়। খেলা নিয়ে কিছু বলব না, কারণ সুস্থতার জন্য খেলার দরকার আছে। সমর নীতি নিয়ে দেশ গুলো কি কিছু ভেবে দেখবে? এক অভিন্ন যুদ্ধ বিহীন বিশ্ব পেতে আর কত মহামারী প্রয়োজন?

এক সময় ছিল যখন টিভি গুলো খুললে একটি বা দুটি প্রসাধনীর ক্ষুদ্র বিজ্ঞাপন চোখে পড়ত। এখন দৃশ্যপট ভিন্ন। এক ফেয়ার এন্ড লাভ্লীর শততম সংকলন আসার পথে। কোনটা বেটার, কোনটা বেটির,কোনটা তেলনাশী তো কোনটা ব্রণবিনাশী। ভাগ্য ভাল যে করোনাকালীন প্রসাধনী বলে এখোনো কিছু চোখে পড়েনি। কখন এসে যায় তার প্রতীক্ষায় আছি।

চরম সময়ে চলেছি। অনেকটা খুরশীদ আলমের সেই বিখ্যাত গানের মত” চুমকী চলেছে একা পথে, দোষ কি বল সংগী হতে এর মত অবস্থা।

বিজ্ঞাপন

সব প্রচেষ্টা থাকার পর ও আমরা বিচলিত হই নি,মানিনি কোন বিধি নিষেধ,তাই সংগী করেই চলতে হচ্ছে কিছু কাল। এতে হারাব কিছু, পাবো কিছু। সেটা ভ্যাক্সিন বা পথ্য যাই হোক।

চলুন হাঁটি, যেতে হবে বিজ্ঞান কে আশ্রয় করে। জ্ঞান পূর্ণ হোক বিজ্ঞানের আলোয়। দূরহোক আঁধার, অমানিষা যত।

লেখক পরিচিতি- ডা. রাজেশ সাহা, সহকারী অধ্যাপক, নিউরোলজী, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

ট্যাগ:

শীর্ষ সংবাদ:
৪০–৫০ বছর পর ওয়ারিশি সম্পত্তির দাবি, মামলা চলাকালেই ভবন নির্মাণের অভিযোগ আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত ২২ জন কিউআর কোডে লেনদেনে কোনো ফি লাগবে না: অর্থমন্ত্রী চাঁদপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত ঢাকা মহানগর উত্তরের বিএনপিসহ তিন কমিটি বিলুপ্ত, বহিষ্কার ১৪ নেতা ফরিদগঞ্জে মুহাদ্দিস মাও. মো. মোশাররফ হোসাইন জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত চাঁদপুরে কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে অভিযান, ১১ জনের কারাদণ্ড পুলিশ পরিচয়ে চালককে ফ্ল্যাটে আটকে টাকা আদায়ের অভিযোগ, আটক ৪ নারী কচুয়ায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি আটক জুলাই গণহত্যার দুই মামলায় আসামি পটুয়াখালী নদীবন্দরের কর্মকর্তা, জানে না কর্তৃপক্ষ মতলব উত্তরে ৩০ প্রান্তিক পেশাজীবীকে প্রশিক্ষণ ও অনুদানের চেক প্রদান কচুয়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব মতলব পৌরসভায় রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন ইউএনও ২৮ হাজার টাকার শাড়ি প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা চাঁদপুরে রাতে ঘুরাঘুরি করায় ৪৯ কিশোর আটক কুয়েত প্রবাসী খোকন পাটওয়ারীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন মিয়ানমারের রাখাইনে বিমান হামলা, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ জাতীয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচনে তৃতীয় চাঁদপুরের হোসনে আরা মতলব পৌরসভার সমন্বয় কমিটির (টিএলসিসি) সভা