
সেলিম খানের চার সাপ্তাহের আগাম জামিন


প্রায় ৩৭ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় চেয়ারম্যান সেলিম খানকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ এ জামিনের আদেশ দেন।
এর আগে গত ১ আগস্ট পদ্মা ও মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন এবং প্রতারণা করে প্রায় ৩৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ‘বালুখেকো’ চেয়ারম্যান সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দুদকের অনুসন্ধানে সেলিম খানের নামে ৩৬ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য মিলেছে। জমি, বাড়ি ও ফ্ল্যাটসহ সম্পদের দালিলিক মূল্য অনুযায়ী মোট সম্পদের হিসাব করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে তিনি সম্পদের দাম কম উল্লেখ করে দলিল রেজিস্ট্রি করেছেন। প্রকৃত ও বাজারমূল্য অনুযায়ী তার নামের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য শতকোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।


‘বালুখেকো’ হিসেবে পরিচিত সেলিম খানের বিরুদ্ধে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
সরকারের অনুমোদন ছাড়া উত্তোলন করা বালু বিক্রির অর্থ ভাগবাটোয়ারা করেছেন তার এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে। তিনি তার মালিকানাধীন সেলিম এন্টারপ্রাইজের ২০০টি ড্রেজারের মাধ্যমে প্রায় এক দশক ধরে বালু উত্তোলন করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণে সরকারি অর্থ আত্মসাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগও রয়েছেপ্রায় ৩৭ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় চেয়ারম্যান সেলিম খানকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ এ জামিনের আদেশ দেন।
এর আগে গত ১ আগস্ট পদ্মা ও মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন এবং প্রতারণা করে প্রায় ৩৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ‘বালুখেকো’ চেয়ারম্যান সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দুদকের অনুসন্ধানে সেলিম খানের নামে ৩৬ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য মিলেছে। জমি, বাড়ি ও ফ্ল্যাটসহ সম্পদের দালিলিক মূল্য অনুযায়ী মোট সম্পদের হিসাব করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে তিনি সম্পদের দাম কম উল্লেখ করে দলিল রেজিস্ট্রি করেছেন। প্রকৃত ও বাজারমূল্য অনুযায়ী তার নামের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য শতকোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
‘বালুখেকো’ হিসেবে পরিচিত সেলিম খানের বিরুদ্ধে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
সরকারের অনুমোদন ছাড়া উত্তোলন করা বালু বিক্রির অর্থ ভাগবাটোয়ারা করেছেন তার এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে। তিনি তার মালিকানাধীন সেলিম এন্টারপ্রাইজের ২০০টি ড্রেজারের মাধ্যমে প্রায় এক দশক ধরে বালু উত্তোলন করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণে সরকারি অর্থ আত্মসাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগও রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি অবৈধ সম্পদ অর্জনের একটি অভিযোগ দুদকে জমা পড়ে।

























