
কাঁকৈরতলা সড়ক দুর্ঘটনা, এক বছরেই গেল ১০ প্রাণ


চাঁদপুর- কুমিল্লা মহাসড়কের শাহরাস্তি উপজেলার কাঁকৈরতলা একটি বিপদজনক স্থান হয়ে উঠছে। গত এক বছরে কালিয়াপাড়া থেকে কাঁকৈরতলা বাস স্ট্যান্ড সীমানা পযন্ত একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। পরিসংখ্যানুযায়ী এক সকালে গেল ৬ জনের প্রাণ, তারপর ১ জন। আজ বুধবার ৩ জন সহ মোট ১০ টি তরতাজা প্রাণ একেবারে নিশ্চুপ হয়ে গেলো। প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনার পর একেক দপ্তর অপর দপ্তরকে দোষারোপেই সীমাবদ্ধ রাখে নিজেদের কাজ। অথচ যুগোপযোগী সিদ্বান্ত কিংবা আইনের কঠোর প্রয়োগে কমাতে পারে সড়ক দুর্ঘটনা।

দোষারোপের দোলাচলে হারাতে হতো না অজস্র পরিবারের কর্মক্ষম ব্যক্তিদেরকে।
অবৈধ সিএনজির অবাধ বিচরণ কিংবা অদক্ষ চালকের হাতে গাড়ির চাবি হস্তান্তর। সবই কি সরকারের দেখার বিষয়। এই দায় এড়ানো সম্ভব?
আমরাও দোষী। সিএনজি কিংবা অটোরিক্সা কিনে সামান্য অর্থ লাভের আশায় চাবি তুলে দেই কিশোর বয়সের বাচ্চাগুলোর হাতে। দিন কিংবা রাত্রি তাদের অবাধ বিচরণে যখন প্রশাসন নিশ্চুপ থাকে। শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের নিশ্চুপ অথবা স্থানীয় দলীয় পরিচয়ধারী নেতারা যখন এসব দেখেও না দেখার ভান করে, তখন বলতেই হয়…! “রাজনীতি করেন কাদের জন্য। নিজের জন্য নাকি সাধারণ জনগণের জন্য।”

আজ এতোগুলো প্রাণের মূল্য কে দিবে? কে নিবে তাদের দায়িত্ব? কে দাঁড়াবে অসহায় পরিবারগুলোর পাশে? এতিম হওয়া বাচ্চা কিংবা বিধবা হওয়া নারীর কষ্টের আর্তনাদ কি শুনতে পান আপনারা? আর কত মায়ের বুক খালি হলে আমরা সকলে সচেতন হবো?
দিন শেষে হতাশা নিয়ে আবার নতুন দিনের শুরু করবো। কালের গহ্বরে হারিয়ে যাবে এই সকল দুর্ঘটনার ইতিহাস। তবে মুছবে না নিহতদের পরিবারের আর্তনাদ।
ক্ষমা করবেন। নিজেরা শুধরাতে না পারলে কারও সমালোচনা করার অধিকারও হারিয়ে যায়।

























