
টিপকাণ্ডে দেশজুড়ে তোলপাড়, ‘জানতেনই না’ সেই কনস্টেবল


টিপ পরায় কলেজ শিক্ষিকাকে হেনস্তার ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে চিহ্নিত করার কয়েক ঘণ্টা পরই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
অভিযুক্ত কনস্টেবলের নাম নাজমুল তারেক। তিনি পুলিশের প্রটেকশন বিভাগে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
নাজমুলকে চিহ্নিত করতে দেরি হলেও জানা গেছে, ঘটনার পর পরদিনও নাজমুল তার নির্ধারিত জায়গায় দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জানতেনই না যে, তার এমন কাণ্ড নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদ চলছে। ঘটনাটি নিয়ে জাতীয় সংসদেও আলোচনা করা হয়েছে তাও জানা ছিল না এ কনস্টেবলের।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শেরে বাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা নাজমুলের ব্যাপারে এ তথ্য দেন।
এর কারণ হিসেবে গণমাধ্যম কর্মীদের তিনি জানান, নাজমুল স্মার্টফোন ব্যবহার করেন না। ভারচুয়াল জগতে তার অস্তিত্ব নেই। ফেসবুকে আসেন না। টেলিভিশন দেখেন না। একটি সাধারণ ফিচারের নোকিয়া ফোন ব্যবহার করেন নাজমুল। তিনি ডিএমপির প্রটেকশন বিভাগে দায়িত্বরত। তিনি সচিবালয় থেকে কার্জন হলের পূর্বদিকের গেট পর্যন্ত ভিআইপি মুভমেন্টের সময় দায়িত্ব পালন করেন। মিরপুর পুলিশ লাইনে থাকেন নাজমুল।
একইরকম তথ্য দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ।
সোমবার বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ‘মোবাইল ফোন, সিসি ক্যামেরার ভিডিও এবং ‘বিভিন্ন সোর্সের’ মাধ্যমে চেষ্টা চালিয়ে নাজমুলকে শনাক্ত করা গেছে। ঘটনার দিন এবং রোববারও দায়িত্ব পালন করেছেন কনস্টেবল নাজমুল। আমাদের তিনি বলেছেন, তাকে নিয়ে এত বড় ঘটনা ঘটে যাচ্ছে সেটা তার জানা ছিল না।’
উল্লেখ্য, পুলিশের পোশাক পরা একজনের বিরুদ্ধে ‘ইভটিজিং’ এবং ‘প্রাণনাশের চেষ্টা’র অভিযোগে জিডি করেন তেজগাঁও কলেজের থিয়েটার অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক লতা সমাদ্দার।
শেরেবাংলা নগর থানায় জিডি করেন তিন।
সূত্র: যুগান্তর
E/N




























