
হাঙ্গেরি মেডিকেলে সুযোগ ১৪ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর


শুভজিত রক্ষিত এমবিবিএস পাশ করে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করতে পাড়ি দিয়েছিলেন ইউক্রেন। সেখানে গিয়ে উজরট ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন। পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়ার সীমান্তের কাছে ইউক্রেনের সুন্দর শহর উজরট। তিন বছরের স্নাতকোত্তর কোর্স। এক বছর সবে শেষ। শুরু হলো যুদ্ধ। রুশ বাহিনীর হামলা।
উজরটে পড়তে গিয়ে শুভজিতের মতো আরও ১৪ জন বাংলাদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থী বিপাকে পড়েন। পাড়ি দেন হাঙ্গেরি। তাদের আশ্রয়স্থল হয় বিশ্বখ্যাত স্যামিলস ইউনিভার্সিটির ডরমেটরি। বুদাপেস্টের স্যামিলস কর্তৃপক্ষ বিপাকে পড়া বাংলাদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ দেবে বলে আশ্বাস দেয়। তাদের ভর্তির বিষয়টি এখন প্রক্রিয়াধীন।
বুদাপেস্টে স্যামিলস বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুভজিত বুধবার টেলিফোনে যুগান্তরকে বলেন, ‘আমরা ভালো আছি। কোনো সমস্যা হচ্ছে না।’ শুভজিতের বাড়ি শরীয়তপুর জেলায়। তিনি ইউক্রেনের পরিস্থিতির বর্ণনা করে বলেন, ইউক্রেনে মেডিকেল শিক্ষার মান ভালো। টিউশন ফি কম। তাই বৃত্তি নয়; আমি অন পেমেন্টে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করতে গিয়েছিলাম। কেউ কেউ স্কলারশিপে গেছেন। আমার এক বছর হলো। কারও কারও দুই, তিন কিংবা চার বছর শেষ হয়েছে। এই সময়ে যুদ্ধ শুরু হলে আমরা পোল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করি। কিন্তু পোল্যান্ড সীমান্তে শরণার্থীদের দীর্ঘ সারি। ৭-৮ ঘণ্টা পর্যন্ত যানজট। কেউ কেউ ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হেঁটে পোল্যান্ড সীমান্তে পৌঁছান। পোল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে আমাদের হাঙ্গেরি চলে যেতে বলা হয়।


সূত্র: যুগান্তর
E/N




























