
টানা বৃষ্টিতে হাজীগঞ্জে আলু চাষীসহ বিপাকে আড়াই হাজার কৃষক


টানা দুইদিনের বৃষ্টিতে হাজীগঞ্জ উপজেলার প্রায় আড়াই হাজার কৃষক মৌসুমী ফসলের ক্ষতির মুখে পড়েছে । উপজেলায় ২৮০ হেক্টর জমিতে আলু চাষীরা শতভাগ লোকসানে পড়ে। বোপনের সাত দিনের মাথায় টানা বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে গেল আলুর বীজ। পাশাপাশি সরিষা, পেঁয়াজ, রসুন ও শাকসবজি শতভাগ বিনষ্ট হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা যদি ভুট্টা ফলন চাষ করে তাহলে লোকসান পুসিয়ে নিতে পারবে বলে দাবী করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিলরুবা খানম।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার কয়েকটি ফসলী মাঠে গিয়ে চাষীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিগত পাঁচ বছর পর আলু চাষীরা এমন ক্ষতির সম্মুখে পড়েন। উপজেলা উত্তরাঞ্চলেরে ৩নং ও ৪নং কালচোঁ ইউনিয়নে আলু, পেঁয়াজ, রসুন ও সরিষা চাষাবাদ নির্ভর ছিল।
হাজীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,হাজীগঞ্জ উপজেলায় ২০১০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ফসলাদি চাষাবাদ হয়ে থাকে। টানা বৃষ্টিতে শতভাগ ফসলী জমির ফসল ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সরিষা ৪০৫ হেক্টর, আলু ২৮০ হেক্টর, পেঁয়াজ ৪০ হেক্টর, টমেটো ১০ হেক্টর, গম ১০ হেক্টর ও শীতকালীন সবজি ৬১০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে এই ফসলগুলো শতভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। বাকী ফসলগুলো ৫০/৬০ ভাগ নষ্ট হয়েছে।
জানতে চাইলে ৩নং কালচোঁ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মানিক হোসেন প্রধানীয়া বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের একটি তালিকা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা ও আস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মো. জাকির হোসেন তারাপাল্লা এলাকার ৪০ জন কৃষককে ৩ হাজার টাকা করে প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছেন।


হাজীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিলরুবা খানম পপুলার বিডিনিউজকে বলেন, আগামী বোরো ফসল ভালো হবে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ভুট্টা চাষ করলে বেশি লাভবান হতে পারবে।


























