
স্কুল আছে, রাস্তা নেই! দুর্ভোগে শতাধিক শিক্ষার্থী


ধু ধু বিলের মধ্যে কংক্রিটের দ্বিতল ভবন। নিচতলায় ফ্লাড সেন্টার আর দ্বিতীয় তলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়। আশপাশে বসতি নেই বললেই চলে। বর্ষার সময় চারদিকে অথৈ পানি। বর্ষার সময় নৌকা, শুষ্ক মৌসুমে জমির আইল। বছরের পর বছর কখনও পায়ে হেঁটে আবার কখনওবা নৌকায় কষ্ট করে স্কুলে আসে পাবনার চাটমোহর উপজেলার ৩৩ নং বনমালীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ১৯৭২ সালে উপজেলার ছাইকোলা ইউনিয়নের ধু ধু বিলের মধ্যে ৩৩নং বনমালীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি করা হয়। এর পরে ২০১০ সালে স্কুলে যাওয়ার কোনো রাস্তা না করেই সেখানে নিচে বন্যাদুর্গতদের থাকার জন্য ফ্লাড সেন্টার এবং দ্বিতীয় তলায় স্কুল ভবন তৈরি করা হয়। দ্বিতীয় তলায় স্কুল ভবনের চারটি কক্ষের মধ্যে একটি অফিস কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অপর তিনটি শ্রেণিকক্ষ। আর সেখানে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০২ জন।
তবে লোকসমাগমের বাইরে বিলের মধ্যে নির্মাণ স্কুলটিতে বর্ষার সময় নৌকায় এবং শুষ্ক মৌসুমে জমির আইল ধরে হেঁটে পৌঁছাতে হয় শিক্ষার্থীদের। একটু পানিতেই কাদা হওয়ায় তার মধ্যে হেঁটে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থীর পায়ে সারা বছর ঘা লেগেই থাকে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জামা-কাপড় ও বইখাতা কাদা-পানিতে ভিজে নষ্ট হয়। দীর্ঘদিন ধরে ওই স্কুলের শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগের শিকার হলেও এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট দপ্তর।


সূত্র:যুগান্তর
E/N



























