
কুয়েত-ইরাক প্রত্যাগতদের পাওনা আদায়ে প্রস্তুততি সভা অনুষ্টিত


১৯৯০ সালের ২ রা আগষ্ট কুয়েত-ইরাক যুদ্ধে ৭২ হাজার বাংলাদেশী শ্রমিক নিজ দেশ বাংলাদেশে ফেরত আসে। তখন জাতী সংঘ এ সব ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতি পূরন দেয়ার ঘোষনা করা হলে কুয়েত ও ইরাক সরকার জাতী সংঘের ঘোষনা অনুযায়ী দু’’দফা ক্ষতি পুরন পরিশোধ করলেও বকেয়া থেকে যায় অনেক।
গতকাল বুধবার বিকালে কচুয়া উপজেলার লুন্তি তিন রাস্তার মোড় কুয়েত-ইরাক প্রত্যাগত চাঁদপুর জেলা কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম প্রধান এর সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক খোরশেদ আলম, মো. নজরুল ইসলামসহ অনেকে। এ সব বিষয়ে কুয়েত ইরাক ফেরত ভুক্তভোগিরা বার বার চেষ্টা করেও দীর্ঘদিন ধরে আদায় করতে পারেনি তাদের বকেয়া। বক্তরা আরো বলেন বাংলাদেশ কোনসোডিয়াম লিঃ ও টেকনোকোন কোম্পানীর নিকট সকল শ্রমিকের বকেয়া বেতন আদায় এবং জাতী সংঘ কর্তৃক ঘোষিত অমীমাংসিত সমস্যার সমাধনের কুয়েত সরকার কর্তৃক ঘোষিত ১৬ মাসের বেতন আদায় করে কুয়েত-ইরাক প্রত্যাগতদের মাঝে বন্টন করে দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা ও প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রি’র প্রতি জোর দাবী জানান। এ সময় চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলার কুয়েত-ইরাক প্রত্যাগতরা উপস্থিত ছিলেন।
HO/N





























