
হাজীগঞ্জ বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ী সমিতি ও প্রশাসনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত -সাংসদ


চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) নির্বাচনী আসনের সাংসদ মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম করোনা ও হাজীগঞ্জ বাজার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘করোনা যেহেতু স্বাস্থ্য বিষয়ক, সেহেতু সিভিল সার্জনের পরামর্শ ও জেলা প্রশাসকের পরামর্শ নিয়ে হাজীগঞ্জ বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতি ও স্থানীয় প্রশাসন হাজীগঞ্জ বাজার ৯দিন বন্ধ ঘোষণা দিয়েছে। তা সিভিল সার্জনের সাথে পরামর্শ করে কমানো বা বাড়ানো যেতে পারে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার বিকালে ৬ টা ১৫ মিনিটের সময় পপুলার বিডিনিউজ ডটকমের প্রতিবেদককে সাংসদ মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এসব কথা বলেন।


সাংসদ বলেন, সরকারীভাবে একটি সিদ্ধান্ত চলমান। করোনা পরিস্থিতি ভয়বহতা নির্ণয় করে স্থানীয় প্রশাসন যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে। হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সিদ্ধান্তের তাদের একান্ত সিদ্ধান্ত। সেখানে আমার কোন সিদ্ধান্ত নাই। সিদ্ধান্ত দিবেন সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসক।
তিনি আরো বলেন, কে কি লিখলো, তা জানি না। তবে বিষয়টি নিয়ে আমি হায়দার পারভেজ সুজনের সাথে বিকালে কথা বলেছি। তার কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে পারেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হায়দার পারভেজ সূজন বলেন, সাংসদ মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম আমাদের সিদ্ধান্তের সাথে একমত আছেন। বিষয়টি হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাথে সাংসদের দুরত্ব বাড়াতে একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেছেন, সিভিল সার্জনের সাথে পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনে বন্ধ ঘোষণার দিনক্ষণ বাড়ানো বা কমানো যেতে পারে।
তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুর সিভিল সার্জেন ডা. সাখাওয়াত উল্লাহ ৯ দিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ায় হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
হাজীগঞ্জ উপজেলায় করোনার পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত ১৪ জন। ঢাকা থেকে করোনা নিয়ে এসেছেন ২ জন। উপসর্গ নিয়ে মারাগেছেন ১১ জন। তার মধ্যে একজনের করোনা পজিটিভ হয়েছে। ৪ জনের রিপোর্ট এখনো আসেনি। বাকী ৬ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তবে যেই ৪ জনের রিপোর্ট আসেনি- তারা একদিনেই মারা গেছেন। তা নিয়েই ব্যবসায়ী ও হাজীগঞ্জ উপজেলার মধ্যে করোনা আতংক বিরাজমান।
উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ এড়াতে চাঁদপুররের হাজীগঞ্জ বাজার ৯ দিন, বলাখাল বাজার ১০ দিন ও মতলব বাজার ১০ দিন বন্ধ রাখা ঘোষণা দিয়েছে। তবে ওষুধের দোকান ২৪ ঘন্টা ও মুদি এবং তরকারীর দোকান দুপুর ২ টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
























