
গৃহকর্মীর হাতে খুন


সোমবার রাত ১০টার দিকে বেতন বাড়ানো নিয়ে নিহত সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হক মিয়ার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় গৃহকর্মী জমির উদ্দীনের। আর এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রাতভর হত্যার পরিকল্পনা আঁটতে থাকে সে।
ভোর ৪টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় কোরাবারি (পেরেক তুলতে তৈরি স্থানীয় যন্ত্র) দিয়ে সজোরে আঘাত করে হত্যা করা হয় আব্দুল হক মিয়াকে। এরপর ঘটনা থেকে নিজেকে আড়াল করতে ডাকাতির ঘটনা সাজাতে বাড়ির মালামাল তছনছ করে ছুরি দিয়ে নিজের পায়ে নিজে আঘাত করে।
পরে নিহত সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হক মিয়ার ব্যবহৃত একটি ও নিজের দুটি মোবাইল ফোন বাড়ির পেছনের পুকুরে ফেলে দিয়ে ঘরে ফিরে এসে কাপড় দিয়ে নিজেই নিজের পা ও চোখ বেঁধে খাটের নিচে একপাশে শুয়ে থাকে গৃহকর্মী জমির।
সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাকারিয়া রহমান জিতু ও থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের তিনটি তদন্ত দল এ রহস্য উদ্ঘাটন করে।
বুধবার সাতকানিয়া থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তারা। এর আগে জমিরের দেখানো মতে মঙ্গলবার বিকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পুকুরের পানি সেচে হত্যার আলামত উদ্ধার করে পুলিশ।






























