
হাজীগঞ্জের মালিগাঁও ভবন নির্মাণে আদালতের নিষেধাজ্ঞা


হাজীগঞ্জ উপজেলার গর্ন্ধব্যপুর ইউনিয়নের মালিগাঁও গ্রামে সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরে ভবন নির্মাণে চাঁদপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
আদালতের নোটিশে দেখা গেছে, মালিগাঁও পূর্ব পাড়া হাজী বাড়ির আনোয়ার হোসেনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে একইবাড়ীর মৃত সেকান্তর আলীর পুত্র জাকির হোসেন ও নূরজাহান বেগম এবং পুষ্প বেগমকে বিবাদী করে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।
বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে ভবন নির্মাণের সম্পত্তির উপর অস্থায়ী স্থিতাবস্থায় সহ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আদেশ প্রেরণ করেন।
শুক্রবার হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ সরজমিনে গিয়ে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়ে আসেন।


সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, মালিগাঁও পূর্ব পাড়া হাজী বাড়ি আনোয়ার হোসেন তার বাড়ীর সিদ্ধান্তক্রমে সম্পত্তি দখলে যেতে চায়। কিন্তু মৃত সেকান্তর আলীর পুত্র জাকির হোসেন ও তার পরিবার জোরপূর্বক ভাবে বাড়ির ও এলাকার সালীশিগণের সিদ্ধান্ত অমান্য করে মনগড়াভাবে স্বার্থের জন্য ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করে।
জানতে চাইলে ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন বলেন, বাড়ির সবাই ঐক্য হয়ে সুশৃংখলভাবে পূর্ব-পশ্চিমে দুটি সারিতে তাদের বসত ঘর নির্মাণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তারই ধারাবাহিকতায় বাড়ির সকল পরিবার বাড়ির সুশৃঙ্খলতার সাথে সেভাবে বসতঘর নির্মাণ করে। কিন্তু জাকির হোসেন তাদের বসতঘর অন্যত্র না সরিয়ে বরং আরো একটি বিল্ডিং এর কাজ শুরু করেছে। এতে করে আমরা বাড়ির সবার সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্তমতে বাড়ীর সামনের সারিতে আমার ঘর আনতে পারছি না। আমাদেরকে আড়ালে রাখার চেষ্টা করছে জাকির হোসেন গংরা।
তিনি আরো জানান, এলাকার একটি সালিশীনামায় অনাপত্তিনামা রয়েছে। একাধিক বার সালিশি বৈঠক হলেও তারা কোন সিদ্ধান্তকে মানছে না। আইনের তোয়াক্কা না করে মনগড়াভাবে বিল্ডিং নির্মাণ করা শুরু করে। আমি একজন প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও তারা জোর জবরদস্ত ভাবে তাদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে। আদালতের মাধ্যমে আমি বিষয়টি সুরাহার আবেদন করেছি। বিজ্ঞ আদালত ভবন নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা প্রেরণ করেন।
এদিকে সরেজমিনে গেলে জাকির হোসেনের মা বলেন, আইনানুগভাবে তারা যেকোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেবে।
এদিকে জাকির হোসেন মুঠোফোনে পপুলার বিডিনিউজকে বলেন, আমি আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করবো। তারা কোন সম্পত্তি পাবে না। বরং আমরা সম্পত্তি দিয়েছি আনোয়ার হোসেন গংদের।


























