হাজীগঞ্জ উপজেলার ১১ নং হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের ধড্ডা প্রধানিয়া বাড়ীতে দুই গ্রæপের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামালার বাদী প্রধানীয়া বাড়ীর আব্দুস ছোবহান মাস্টার। অভিযোগে মামলার বিবাদী হিসেবে দশজনকে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে রাখা হয়েছে।
বিবাদীরা হলো একই এলাকার আব্দুল মান্নান, মনির হোসেন, মকবুল হোসেন, মো. হাছান, মো. ফটিক, মো. মানিক, গিয়াস উদ্দিন, সালমা বেগম-১, সালমা বেগম-২, আমেনা বেগম সহ অজ্ঞাত আরো ৫/৬ জন।
গত ৪ নভেম্বর বুধবার সকালে সম্পত্তি বিরোধ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় আব্দুস ছোবহান মাস্টারের পরিবারের এবং বাড়ির পাঁচ-ছয়জন রক্তাক্ত জখম হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়- হামলাকারীরা পূর্বের বিরোধের জের ধরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটায়। হামলাকারীরা বিভিন্নভাবে নগদ অর্থও হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত মাইনুল ইসলাম শাহেদ (৩২), সাইফুল ইসলাম (৩০) ও তাজুল ইসলাম ঝন্টুর (৩৩) মাথায় সেলাই দেয়া হয়েছে।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারী একই এলাকার মোশারফ হোসেন প্রধানীয়া ও তার দলবল। প্রধানীয়া বাড়ির নাল ও পুকুর সহ বিভিন্ন দাগে ৯ শতাংশ সম্পত্তি নিয়ে৬ পরিবারের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বুধবার সকালে ৫ পরিবারের লোকজন মোশারফ হোসেন প্রধানিয়ার দখলে থাকা সম্পত্তি উদ্ধার করতে যায়। পরে মোশারফ হোসেন প্রধানীয়ার দলবল নিয়ে বাধা প্রয়োগ করে। এ নিয়ে সংঘর্ষের হামলার ঘটনা ঘটে।
হাটিলা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম মিয়াজী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মোশারফ প্রধানীয়ার সাথে বাড়ির লোকজনের সম্পত্তি বিরোধ চলছে। একাধিকার এলাকায় বৈঠক হলেও মোশারফ প্রধানীয়া কর্ণপাত করছেন না।
হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আলমগীর হোসেন রনি মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মারামারির ঘটনায় একটি মামলা নেয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত কাজের দায়িত্বে রয়েছেন সাব-ইনেস্পক্টর সৈয়দ মোশারফ হোসেন।
