চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আজাদ সরকার (৫০) হত্যা মামলার প্রধান আসামি আওয়ামী লীগ নেতা মো. মনির হোসেন মিঠু কাজীর ফাঁসি ও অন্যান্য আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৪ জুলাই) বিকালে হাজীগঞ্জ পৌরসভার টোরাগড় এলাকার সরকার বাড়ির সামনে থেকে বের হয়ে বাজার প্রদক্ষিণ করেন। এরপর হাজীগঞ্জ পশ্চিম বাজারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে আওয়ামী লীগ নেতা মিঠু কাজীর ফাঁসি ও অন্যান্য আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী রফিকুল ইসলাম, শহীদ আজাদ সরকারের ছেলে হিমেল।
এসময় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে একাত্মতা পোষণ করে বক্তব্য রাখেন যুবনেতা মহসিন পাটওয়ারী, শ্রমিক নেতা সোহেল রানা, ছাত্রনেতা শামসুদ্দীন নূর ও সাখাওয়াত সরকার প্রমুখ।
এর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহযোগিতায় বুধবার (২ জুলাই) দিবাগত রাতে নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানা এলাকা থেকে মিঠু কাজীকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও টোরাগড় এলাকার কাজী বাড়ির মৃত মেন্দু কাজীর ছেলে।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুরে তাকে আদালাতে সোপর্দ করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক। এসময় চাঁদপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শুনানি শেষে মিঠু কাজীর ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গেলো বছর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পানি খাওয়ানোয় আজাদ সরকারকে কুপিয়ে হত্যা করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় আজাদ সরকারের ছেলে হিমেল সরকার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।