বাংলাদেশের এই সময়ের আলোচিত এবং আলোকিত নাম চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। তিনি চাঁদপুরের সন্তান।
ভদ্রলোকে অনেকেই ড. মোহাম্মদ ইউনুস সাহেবের মত একজন বড় মাপের খেলোয়াড় মানছেন। যার কিছুটা নমুনা তিনি ইতিমধ্যেই দেখিয়েছেন। আজকে বিনিয়োগ সম্মেলনে তার উপস্থাপন দেশব্যাপী প্রশংসার জোয়ারে ভাসছে।
আশিক চৌধুরী ‘গিনেস বুক রেকর্ড’ গড়েছিলেন অনেক আগেই, এখন লড়ছেন দেশ গড়ার জন্য। তিনি সিঙ্গাপুরে থেকে এক মাসে যা আয় করতে পারতেন, এই দেশে গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে থেকে ১ বছরেও হয়তো তা আয় করতে পারবেন না। তবুও তিনি ড. মোহাম্মদ ইউনূস সাহেবের একটি ফোন কলেই নিজের দেশে চলে এসেছেন দেশকে ভালোবেসে। উন্নত দেশের আয়েশী জীবন-যাপন ছেড়ে নিজের মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছেন, দেশকে এগিয়ে নেবার জন্য।
ড. ইউনূস সাহেবের মতো ব্যক্তি আশিক চৌধুরীকে কেন ফোন দিয়ে দেশে আসার অনুরোধ করেছেন, তা আজকের বিনিয়োগ সম্মেলনের অনুষ্ঠানে দেশের মানুষ উপলব্ধি করতে পেরেছে।
যদি সত্যি সত্যি আমাদের দেশটা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এগিয়ে যায়, চাঁদপুরের কৃতি সন্তান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন- নামটিও আলোর অক্ষরে লিখা থাকবে, নতুন বাংলাদেশের ইতিহাসে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিডা এবং বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক যে কতোটা শক্ত খেলোয়াড়, তা ছয়মাস পরেই টের পাওয়া যাবে।
ইতিমধ্যেই তিনি বাংলাদেশে স্টারলিংক নিয়ে এসেছেন, নাসার সাথে চুক্তিতে চলে গিয়েছেন। বিনিয়োগ হিসেবে বাহিরের একটা ব্যাংকের সাথে চুক্তি হয়েছে এই বছর ১০০ কোটি ডলার বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে।
৫ টা বিশালাকার মালবাহী জাহাজ কিনে নিয়েছেন, রিভার ম্যানেজমেন্টের প্লান তৈরি করে বিশাল বিনিয়োগ আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ৪ টা আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল (বিদেশী বিনিয়োগে) তৈরির প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রনিক ট্রেন অথবা বুলেট ট্রেন চালুর জন্য বিদেশী বিনিয়োগ নিয়ে আসার চেষ্টা চালাচ্ছে ন। ইতিমধ্যেই ১০টি বৃহত্তর ইকোনমিক জোন তৈরি কার্যক্রম চলছে..
আর এই সবকিছু তিনি করেছেন মাত্র কয়েক দিনে। আশিক চৌধুরীর মত ব্যক্তিরা যদি দীর্ঘ সময় কাজ করার সুযোগ পান, তবে সত্যি সত্যি আমাদের দেশে এগিয়ে যাবে, সে প্রত্যাশা রাখতেই পারি।
আশিক চৌধুরীর লক্ষ্য দেশে ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ নিয়ে আসা। যা দেশের কয়েক কোটি মানুষের জীবন পরিবর্তন করে দিবে। কম হলেও ১ লাখ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে।