চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেডে ঘুরতে নেওয়ার কথা বলে পোশাক শ্রমিক এক তরুণীকে চলন্ত অটোরিকশায় ধর্ষণের ঘটনায় প্রেমিকসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় ওই অটোরিকশাটিও উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (৬ মে) রাতে নগরের ডবলমুরিং ও হালিশহরের বড়পোল বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার দুইজন হলেন ভোলা জেলার মো. আক্তার (৩০) ও কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা মো. সাগর (১৯)। আক্তার অটোরিকশাচালক এবং সাগর পেশায় অটোরিকশা গ্যারেজের মিস্ত্রি।
পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার ওই পোশাক শ্রমিক তরুণীর বাসা ডবলমুরি এলাকার মিস্ত্রিপাড়ায়। আসামি সাগরের বাসাও একই এলাকায় হওয়ায় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৩ মে (শুক্রবার) সন্ধ্যায় পোশাককর্মী তরুণী কারখানা থেকে বের হওয়ার পর ঘুরতে নেওয়ার কথা বলে সাগর তাকে অটোরিকশায় তুলে নেয়। অটোরিকশা চালাচ্ছিল আক্তার।
ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল কাদের পাটোয়ারী বলেন, ওই তরুণীর ভাষ্যমতে- সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী পকেট গেইট এলাকায় নির্জন রাস্তায় অটোরিকশার ভেতর সাগর ও আক্তার তাকে ধর্ষণ করে। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই অটোরিকশায় তাকে মিস্ত্রিপাড়ার বাসায় নামিয়ে দেয়। পরদিন ওই তরুণী থানায় এসে এ বিষয়ে অভিযোগ করলে আমরা দুজনের অবস্থান শনাক্ত করে তাদেরকে গ্রেফতার অভিযান শুরু করি।
তিনি আরও বলেন, অভিযান শুরু করার পরই আসামিরা আমাদের তৎপরতা বুঝতে পেরে অটোরিকশা ডবলমুরিং এলাকার মিস্ত্রীপাড়া লাল মসজিদের পাশে রেখে পালিয়ে যায়। আমরা প্রথমে অটোরিকশাটি উদ্ধার করি। এরপর আসামি সাগরকে ডবলমুরিং এলাকা থেকে রোববার রাতে গ্রেফতার করা হয়। এদিকে অটোরিকশা চালক মো. আক্তার ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকায় পালিয়ে আছে জানতে পেরে আমরা সেখানে অভিযান চালাই। কিন্তু সে বুঝতে পেরে নিজ জেলা ভোলায় পালিয়ে যাওয়ার জন্য হালিশহর থানার বড়পোল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চলে যায়। সেখান থেকে তাকে সোমবার রাতে আমরা গ্রেফতার করা হয়েছে।