চাঁদপুরে নির্মাণাধীন ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ সেতুর চোরাইকৃত মালামালসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে আটককৃতদের পরিবার থেকে বলা হচ্ছে এটি ষড়যন্ত্র। সেতুর কাজের পাওনা টাকা না দিতে ষড়যন্ত্রের শিকার হন তারা। শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি করা মালামালসহ একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। কিন্তু ওই ট্রাকটি এই সেতুর কাজে দীর্ঘদিন ব্যবহার হয়েছিল বলে দাবী তাদের।
আটককৃতরা হলো ফরিদগঞ্জ উপজেলার মো. মনির হোসেন (৪০), মো. মিন্টু মিয়া (৪৩) ও মো. রাজু হোসেন (২৭)।
আটক মনির হোসেনের ভাই জুয়েল হোসেন বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জায়গা, সিলেকশন বালু, মালামাল আনলোড, লেভার খরচ বাবদ ১২ লাখ ৮৩ হাজার ৮’শ আট টাকা পাওনা রয়েছে। এছাড়া মনির হোসেনও প্রায় আড়াই লাখ টাকা পাওনা। এসব পাওনা টাকা নিয়ে বাদীর সাথে বিরোধ হওয়ায় ষড়যন্ত্রের শিকার তারা। এ বিষয়ে তারা আদালতে পাওনা টাকাসহ মানহানির অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এছাড়াও তিনি আরো জানান, জব্দকৃত ট্রাকটির লাইসেন্স নাম্বার রয়েছে। কিন্তু এজহারে নাম্বারবিহীন দেখানো হয়েছে। ট্রাকে থাকা মালামালের দামও ধরা হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। এতো টাকা পাওনা আর এখানে মাত্র ১৫ হাজার টাকার মালামাল। বিষয়টি হাস্যকর ও ষড়যন্ত্র ।
এদিকে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল জানান, গোপন সংবাদে ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মালামাল ও গাড়িসহ তিন জনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।