নতুন বছরের প্রথম দিন পহেলা জানুয়ারি (সোমবার) চাঁদপুরের শিশু শিক্ষার্থীরা পুরো সেট নতুন বই হাতে পাবে। এরইমধ্যে প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছে গেছে সব শ্রেণির পাঠ্যবই। এখন নতুন বই হাতে পাওয়ার অপেক্ষায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা।
ছে, এজানা গেকচিলতে খোলার মাঠ। এই যেনো বইয়ের হাট। সেই বই নিতে ভিড় করছেন অনেকেই। তবে তারা সবাই শিক্ষক। তালিকায় থাকা সবগুলো বই সাজিয়ে নিচ্ছেন তারা। শুধু এমন তালিকাই নয়, সংখ্যাও ঠিক আছে কি না। তাও যাচাই-বাছাই করে দেখছেন বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে আসা এসব শিক্ষক। এরইমধ্যে চাঁদপুরের প্রতিটি উপজেলার সংশ্লিষ্ট বিভাগের গুদামে পৌঁছে গেছে নতুন বই। তাই সেখানে শিক্ষকদের জটলা।
এবারে সবগুলো পাঠ্যবই একসঙ্গে মিলেছে। যেমনটা অতীতে খুব কমই ছিল। তাই ঝক্কিঝামেলা নেই। কারণ, বই উৎসব হবে নতুন বছরের প্রথম দিন। আর সেই উৎসবে কোমলমতি শিশুরা নতুন বইয়ে হাত বুলাবে। পাতায় পাতায় শুকে নেবে গন্ধ। এতে দারুণ খুশি ভবিষ্যৎ গড়ার এসব কারিগরেরা।
শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হবে এই নতুন বই জানালেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোস্তফা কামাল বাবুল এবং কিন্ডারগার্টেন স্কুলের সভাপতি ওমর ফারুক। তারা জানান, সময়মতো পাঠ্যবই বিতরণ এটি সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এই জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তারা।
এ দিকে, প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকারের নির্দেশনা মেনেই দ্রুত সময়ের মধ্যে গুদাম থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে নতুন বই। অন্যদিকে, শিশুদের নিয়ে বছরের শুরুতেই অনুষ্ঠিত হবে জমজমাট বই উৎসব। তাই শতভাগ বই পৌঁছে দেয়ার জন্য নেয়া হয়েছে এমন প্রস্তুতি।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা মেহের ইয়াসমিন জানান, প্রতিটি শ্রেণির শতভাগ বই নির্ধারিত বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। ফলে বছরের প্রথম দিনই শিশু শিক্ষার্থীরা তাদের হাতে পাতা উল্টে বইয়ের ঘ্রাণ নিতে পারবে।
২০২৪ সালের নতুন শিক্ষাবর্ষে চাঁদপুরে প্রাথমিকের ২ লাখ ৬০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য নতুন পাঠ্যবই সরবরাহ হয়েছে ১২ লাখ ৪১ হাজার ৪৯৩টি বই।
H/A