‘স্মার্ট বাংলাদেশ : উন্নয়ন দৃশ্যমান, বাড়বে এবার কর্মসংস্থান’ স্লোগানে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। আগামী ৭ জানুয়ারির দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আজ বুধবার এ ইশতেহার ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠান শুরু হয়।
ইশতেহার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইশতেহার প্রণয়ন উপকমিটির আহ্বায়ক ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুস রাজ্জাক।
এবারের ইশতেহারে আওয়ামী লীগ সরকারের টানা তিন মেয়াদের অর্জন এবং আগামী মেয়াদে ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়নে তাদের কর্মপরিকল্পননা তুলে ধরা হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের শাসনামলকে ‘উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে বিশ্বের বিস্ময় বাংলাদেশ’ বলা হয়েছে।
১. দ্রব্যমূল্য ক্রয়ক্ষমতার মধ্য রাখার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা।
২. কর্মোপযোগী শিক্ষা ও যুবকদের কর্মসংস্থান।
৩. আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ।
৪. সমন্বিত কৃষিব্যবস্থা, যান্ত্রিকীকরণ ও প্রক্রিয়াযাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
৫. দৃশ্যমান অবকাঠামো বৃদ্ধি করে শিল্পের প্রসার।
৬. ব্যাংকসহ আর্থিক খাতে দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি।
৭. নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সুলভ।
৮. সর্বজনীন পেনশনে সকলকে যুক্ত করা।
৯. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকারিতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত।
১০. সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ রোধ।
১১. সর্বস্তরে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুরক্ষা ও চর্চার প্রসার ঘটানো।
এ ছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতেও জোর দেবে আওয়ামী লীগ। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের বিষয়গুলো ইশতেহারে স্থান পেয়েছে।
H/A