বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ও চাঁদপুর -১ কচুয়া আসনে নৌকার প্রার্থী ড. সেলিম মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশ ও স্বাধীনতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের সাথে অঙ্গাঅঙ্গীভাবে জড়িত। জাতির পিতার হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের ইতিহাস বাঙ্গালীর ইতিহাস। ছাত্রলীগই এদেশের স্বাধীনতায় মুখ্য ভূমিকা রেখেছে।
৭৫ এর পরবর্তী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শত শত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী তাদের জীবন উৎসর্গ করে দিয়েছে। বর্তমানে দেশ দুইটি যুদ্ধে অবতীর্ণ। আমরা প্রথম যুদ্ধে জয়ী হয়েছি। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী সকল ষড়যন্ত্র আমাদের প্রধানমন্ত্রী হাসিনা নৎসাত করে দিয়েছে। এটা আমাদের প্রথম বিজয়। দ্বিতীয় যুদ্ধ আগামী ৭ জানুয়ারী।
এদেশে ভোট উৎসব হবে। ভোট যুদ্ধে আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত কোটি কোটি ভোটার ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে শেখ হাসিনার মার্কা নৌকায় ভোট দিবেন। এই নৌকা মার্কার ভোট আমাকে নয়, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দিবেন।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের দিন কোটি কোটি ভোটার যখন লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট উৎসবে মেতে উঠবে তখন দেশি-বিদেশী সকল মিডিয়ায় প্রচার করলে তখনই সকল ষড়যন্ত্র ভেস্তে যাবে। আমাদের লক্ষ্য প্রার্থীকে জিতানো নয়, কোটি কোটি ভোটার উপস্থিত হয়ে শেখ হাসিনার মার্কা নৌকাকে ভোট দেওয়া।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের দিন কোটি কোটি ভোটার যখন লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট উৎসবে মেতে উঠবে তখন দেশি-বিদেশী সকল মিডিয়ায় প্রচার করলে তখনই সকল ষড়যন্ত্র ভেস্তে যাবে। আমাদের লক্ষ্য প্রার্থীকে জিতানো নয়, কোটি কোটি ভোটার উপস্থিত হয়ে শেখ হাসিনার মার্কা নৌকাকে ভোট দেওয়া।
সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে কাজ করতে হবে। আমি কচুয়ার ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করে রাজনীতি শুরু করেছি। এই উপজেলার তরুণদের জাগ্রত করতে পেরেছি। আমার চাকরি জীবনের ১৬ বছর থাকতেই আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছি। ৭ তারিখের প্রতিটি ভোট জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য।
কচুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সালাউদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে পথ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনী ইশতেহার কমিটির সদস্য সচিব, প্রিয় ব্যক্তিত্ব ও আমাদের সকলের প্রিয় শিক্ষক ড. সেলিম মাহমুদের এলাকায় নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে পেরেছি এটাই আমার জন্য গর্বের বিষয়। আমাদের নেত্রী প্রায় বলেন, কেবল ভালো কর্মী হলে চলবে না, ভালো ছাত্র হতে হবে। এ জ্বলন্ত উদাহরন আপনাদের এলাকার কৃতি সন্তান সেলিম মাহমুদ।
কচুয়াবাসী ধন্য এমন একজন মানুষকে বেছে নিতে যাচ্ছেন কচুয়ার শিক্ষা, চিকিৎসা, শিল্পাঞ্চলসহ সকল ক্ষেত্রে ভাগ্য পরিবর্তন ঘটিয়ে ফেলতে পারবে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান রাখবো, সকল ভোটারদের কাছে নৌকার জন্য ভোট চাইতে হবে। শেখ হাসিনার উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে ভোটারদেরকে সেলিম মাহমুদের পক্ষে ভোট বিপ্লব ঘটাতে হবে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেছেন, আপনাদের কৃতি সন্তান শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ড. সেলিম মাহমুদ আমার এবং সভাপতির শিক্ষক। তাঁর ছাত্র হয়ে পড়াশোনা করার সৌভাগ্য আমাদের হয়েছে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রথম আইনবিষয়ক সম্পাদক পদ সৃষ্টি করে তাঁকে এ পদে অধিষ্ঠিত করেছেন। ড. সেলিম মাহমুদ জাতীয়নেতা হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছেন। কিন্তু তিনি এখনো নিজেকে নেত্রীর কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন।কচুয়ার আওয়ামী লীগ তারুণ্য নিয়ে সাজানো। ৭ তারিখ আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জহির উদ্দিন মিজি, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, পৌর মেয়র নাজমুল আলম স্বপন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগসহ উপজেলার সকল ইউনিয়ন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
H/A