জীবনে প্রেম তো আর বলে কয়ে আসে না। কখন যে কে কার প্রেমে পরে যায়, তা বলা কঠিন! কারও বাল্যবয়সে স্কুলজীবনেই আসে একের পর এক প্রেম। আবার কেউ প্রেমপর্বে পা রাখেন বিয়ের হাত ধরে। তবে বিয়ের পরও যে প্রেম আর আসবে না জীবনে, এমন বলা যায় না। হামেশাই তাই ঘটে যায় বিবাহবহির্ভূত প্রেম অর্থাৎ পরকীয়া।
যুগে যুগে পরকীয়ার ঘটনা ঘটে চলেছে সমাজে। যদিও অনেক ক্ষেত্রেই সমাজে সংস্কৃতি বহির্ভূত বলে সমালোচনার মুখে পড়ে এই প্রেম। নিষিদ্ধ হিসেবে পরিগণিত হয়।
তবে টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য মনে করেন, পরকীয়া সুস্থতার লক্ষণ। তাই এটাকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখা উচিত।
পশ্চিমবঙ্গের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অপরাজিতা বলেন, ‘কেন পরকীয়া আটকাতে হবে? এটা তো সুস্থতার লক্ষণ। রামায়ণ-মহাভারতের সময় থেকে ছিল পরকীয়া। এটা জীবনের স্বাভাবিক ধর্ম। কারও কাউকে ভালো লাগতেই পারে। আমি কারও সঙ্গে ঘর করি বলে জীবনে কাউকে ভালোবাসব না, কোনো ভালো জিনিস দেখব না, এমনটা তো হতে পারে না। যার যত অপশন বেশি, তার জীবনে তত মানুষ আসতেই পারে। এবার কেউ সেটা কীভাবে ব্যালান্স করবে— সেটা সেই মানুষটার ব্যাপার। কিন্তু এটা কোনো অপরাধ নয়।’
তিনি মনে করেন, বিয়ের পর কিংবা সম্পর্কে থাকাকালীন অন্য কারও প্রতি ভালো লাগা তৈরি হতে পারে।
অপরাজিতার কথায়, ‘আমি আমার সংসারকে বেশি গুরুত্ব দেব না, অন্য কাউকে সেটা ঠিক করতাম। পাখিকেও তো খাঁচায় বন্দী রাখা ঠিক নয়। শুধু কাউকে না ঠকালেই হবে।’
পশ্চিমবঙ্গের বেশ জনপ্রিয় অভিনেত্রী আপরাজিতা আঢ্য। ছোট পর্দায় তাকে যেমন দেখতে পছন্দ করেন দর্শক, তেমনই বড় পর্দায় তিনি সাবলীল। তার ব্যক্তিত্বেরও প্রশংসা করেন অনেকে। তাদের কাছে তিনি প্রিয় অপা বা অপাদি।
সূত্র: দেশ টিভি
E/N