হাজীগঞ্জে মালিকের দোকান ও মালামাল আত্মসাৎ করতে মালিকের বিরুদ্ধেই খোদ কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
পরে সেটি সমাধানে ৮ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রয় করা হয়। দোকানে ছিল ঔষুধ ও ডেকোরেশনের মালামাল। নগদ দুই লাখ টাকা দেওয়ার পর বাকি ছয় লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ টাকা না দিয়ে শুরু করেন নানান কৌশল। টাকা চাইতে গেলে উল্টো দোকানের মালিক দুলাল সরকার ও তার স্ত্রী পপি রানি সরকারকে বিভিন্ন হুমকি দিতে থাকে দোকানের সেই কর্মচারী। তার নাম শাকিল আহমেদ। বাড়ী হাজীগঞ্জ উপজেলা কংগাইশ গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে।
বিষয়টি নিয়ে পপি রানি সরকার বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। কোর্ট থেকে ওয়ারেন্ট বের হলে সোমবার বিকালে আলীগঞ্জ এলাকা থেকে শাকিল আহমেদকে আটক করে পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
দুলাল সরকার জানান, শাকিল খুবই বিশ্বস্ত কর্মচারী ছিল। কিন্তু সে যে এমন করবে কখনো ভাবতে পারেনি। দোকান আত্মসাৎ করতে প্রথমে ফেসবুকে অপপ্রচার চালিয়েছে। এর সাথে শাকিলের চাচা আবু বকর লিটনও জড়িত ছিলো। এসব ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন দুলাল সরকার ও তার স্ত্রী পপি রাণী সরকার।