হাজীগঞ্জে মসজিদে ঢুকে ফজরের আযান চলাকালীন সময়ে মুয়াজ্জিন নুরুল ইসলাম লেদুকে (৬০)কে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখমের ঘটনার ১২ দিন পেরিয়ে গেলেও গ্রেফতার হয়নি আসামি মোস্তাফিজুর রহমান মিঠু(৪৮)। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে মুয়াজ্জিনের স্বজন, মসজিদ কমিটির সদস্য ও স্থানীয় মুসল্লীরা।
শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে হাজীগঞ্জ উপজেলার ১০নং গন্ধর্ব্যপুর ইউনিয়নের দেশগাঁও বাইতুন নূর জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেন জানান, এ ঘটনার ১২ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও কেনো আসামী মোস্তাফিজুর রহমান মিঠুকে আটক করা হয়নি। দ্রুত আসামি মোস্তাফিজুর রহমান মিটুকে গ্রেফতারের দাবী জানান তারা।
এ সময় কথা হয় মোয়াজ্জিন নুরুল ইসলাম লেদুর সাথে। তিনি ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরে আসামি মোস্তাফিজুর রহমান মিঠুর শাস্তির দাবী করেন।
ভুক্তভোগী নুরুল ইসলাম লেদুর ছেলে মুনাব্বর হোসেন ইকরাম, স্থানীয় মুসল্লী- আলী আকবর ভূঁইয়া, আব্দুল কুদ্দুস, আবুল বাসার ও হেলাল প্রফেসর জানান, এ ঘটনার সাথে জড়িত মুস্তাফিজুর রহমান মিঠুকে অতি দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক। না হলে দেশে কোন ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা নিরাপদে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবে না।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ জানান, চেষ্টা চলছে, খুব শীগ্রই আসমীকে আটক করা হবে।
এর আগে স্থানীয় ইউপি সদস্য আজিজুর রহমানের ছোট ছেলের মৃত্যু ও জানাজার খবর মসজিদে মাইকিং করার পর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে মিঠু। কেন শিশুর মৃত্যুর খবর মাইকিং করা হলো এর জবাব চান মিঠু। পরে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে গালাগালি করে মিঠু।
গেলো ১৭-ই সেপ্টেম্বর ফজরের নামাজের আজানে ‘হাইয়াআলাস সালা, হাইয়াআলাস সালা ‘ বলার পর মুয়াজ্জিন নুরুল ইসলাম লেদু ‘বাঁচাও, বাঁচাও বলে চিৎকার দেয়। দ্রুত এসে দেখে মিঠু মসজিদ থেকে বেরিয়ে যায়। এ ঘটনায় পরের দিন আহত মুয়াজ্জিন নুরুল ইসলাম লেদুর ছেলে মুাব্বর হোসেন ইকরাম বাদী হয়ে একই এলাকার ভাটের বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান মিঠুকে বিবাদী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।