হাজীগঞ্জে শিশু আহমেদ হত্যায় সৎ মা কহিনুরের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন জেলা জজ ও দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা জজ ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত কহিনুর রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নের উত্তর দরবেশপুর গ্রামের মোবারক হোসেন কুট্টির মেয়ে। নিহত শিশু আহমেদ চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬নং বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের দক্ষিণ রায়চোঁ গ্রামের মিরনের ছেলে।
গেলো বছরের ২৬ আগস্ট দিবাগত রাত ২টার দিকে রাগের মাথায় আসামি কহিনুর পেটে লাথি দিলে শিশু আহমেদ মারা যায়। পরে দা দিয়ে খাটের নিচে গর্ত করে তার মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়। পরে রামগঞ্জ থানা পুলিশের সহযোগিতায় ২৯ আগস্ট বিকেলে দরবেশপুর এসে কহিনুরের বাবার বাড়ির শয়নকক্ষের খাটের নিচে পুঁতে রাখা আহমেদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একইদিনে শিশু আহমেদের বাবা মিরন বাদী হয়ে কহিনুরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
২০২২ সালের ২৯ আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন আসামী কহিনুর। গর্ভবতী অবস্থায় হত্যা মামলায় কহিনুর কারাগারে আসেন। পরে তাকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়। প্রায় ৬ মাস আগে সেখানে তিনি সন্তান প্রসব করেন। তার নাম রাখা হয় মোহাম্মদ। পরে তাকে লক্ষ্মীপুর কারাগারে নিয়ে আসা হয়। ৬ বছর পর্যন্ত সে তার মায়ের সঙ্গে কারাগারেই থাকবে।