হাজীগঞ্জে ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রবিবার বিকালে হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে ফেরার পথে হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কের নদীর দক্ষিণ পাড়ে ড্রাইভেশন মুখে বেপরোয়া সিএনজি ধাক্কায় গুরুতর আহত হয় একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাবেয়া বুসরা রিয়া(১৮)।
আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থী’কে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাজীগঞ্জ একটি প্রাইভেট হাসপাতালে দ্রুত স্থানান্তর করে। পরে উত্তেজিত জনতা সিএনজি’কে ধাওয়া দিয়ে আটক করে।
খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক সুপম তালুকদার ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সিএনজি জব্দ ও চালক’কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আহত রাবেয়া বুসরা রিয়া’র সহপাঠীরা জানান, কলেজ থেকে ফেরার সময় রামগঞ্জ অভিমুখী সিএনজি উল্টোদিকে এসে সজোরে ধাক্কা দিলে সড়কে ছিটকে পড়ে মারাত্মক ভাবে জখম হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যাক্ষ আনোয়ার উল্যাহ, কলেজ গভর্নিং বডির সদস্য সামছুজ্জামান মুন্সী। আহত শিক্ষার্থী হাজীগঞ্জ উপজেলার ৪নং কালোচোঁ ইউনিয়নের সৈয়দপুর আলী আকবর মাষ্টার বাড়ীর মো. মনিরের কন্যা।
হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ গভর্নিং বডির সদস্য সামছুজ্জামান মুন্সী জানান, আমাদের শিক্ষার্থী চালকের ভুলে দুর্ঘটনার শিকার হওয়ায় তারা মর্মাহত। আহত শিক্ষার্থী’র যাবতীয় চিকিৎসা খরচ বহন করবে বলে জানান কলেজ কর্তৃপক্ষ।
তিনি আরো বলেন, এই জায়গায়টিতে কয়দিন পর পর সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে করে বহু মানুষ নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কোনভাবেই বেপরোয়া যানবাহনগুলো নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাছাড়া এখানে পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এখানে সড়ক দুর্ঘটনায় কমাতে জরুরী ভিত্তিতে স্পীড ব্রেকার প্রয়োজন। তাই উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।