চাঁদপুর জেলাধীন কচুয়া উপজেলার কৃতি সন্তান মোঃ ইসমাঈল হোসেন পরিকল্পনা কমিশনের উপপ্রধান হিসেবে সংযুক্ত হয়েছেন। এর আগে তিনি জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের পরিচালক ও সরকারী মুদ্রানালয় (বিজিপ্রেস) এর উপ-পরিচালক হিসেবে সুনাম ও সততার সহিত দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি কচুয়া উপজেলার ৩নং বিতারা ইউনিয়নের শাসনপাড়া কাজী বাড়ীর বিশিষ্ট সমাজ সেবক মাওলানা আবুল খায়ের এর সুযোগ্য সন্তান।
তিনি পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের উপ-পরিচালক (উপ-সচিব) ছিলেন। তিনি দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করায় চলতি বছরের ২০ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের স্মারক নং ০৫.০০.০০০০.১৩১.০০.১৮০.২০-৫৮৬ মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব মেহেদী হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁকে পরিকল্পনা কমিশনের উপপ্রধান হিসেবে সংযুক্ত করা হয়।
মো. ইসমাইল হোসেন সর্বপ্রথম ২০০৫ সালের জুন মাসে সাতক্ষীরা জেলায় ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা,ফরিদপুরের নগরকান্দা ও শরিয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মো. ইসমাইল হোসেন আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, খাগড়াছড়ি জেলার বোয়ালছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও লক্ষীপুর জেলার এডিসি হিসেবে অত্যন্ত সুনাম ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মো. ইসমাঈল হোসেন ১৯৯১ সালে কচুয়ার ঐতিহ্যবাহী নন্দনপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, নটরডেম কলজে থেকে এইচএসসি পাস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষে ২৪ তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে নিয়োগ লাভ করেন।
মো. ইসমাঈল হোসেন ছাত্রজীবন থেকেই মেধাবী, পরোপকারী । তিনি বাল্যকাল থেকে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে এলাকার গরীব,অসহায় ,মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখায় উৎসাহ প্রদান ও প্রতি বছর মাধ্যমিক পর্যায়ে বৃত্তি প্রদান করছেন।
তাঁর গর্বিত বাবা মাওলানা আবুল খায়ের ৩নং বিতারা ইউনিয়নের সরকারি নিয়োগপ্রাপ্ত মুসলিম কাজী ছিলেন।
এদিকে কচুয়ার সৈয়দপুর গ্রামের কৃতিসন্তান মো. ইসমাইল হোসেন পরিকল্পনা কমিশনের উপপ্রধান পদে নিয়োগ পাওয়ায় তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন কচুয়ার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।
E/N