হাজীগঞ্জে কৃষি জমি চাষাবাদ করার শর্তে লীজ নিয়ে বসত বাড়ি তৈরি করে লীজের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে লীজ গ্রহিতা ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে। বর্তমানে ইকবাল হোসেন লীজকৃত সম্পত্তিতে থাকায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে বসতঘর নির্মাণের পাঁয়তারা করছেন। অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন উপজেলার ৩নং কালচোঁ উত্তর ইউনিয়নের সিহিরচোঁ গ্রামের পোদ্দার বাড়ির মুসলিমের ছেলে।
জানা যায়, উপজেলার ১১নং হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের ৬৮নং ধড্ডা মৌজার ১নং খাস খতিয়ানের ২০৩৫নং দাগে ৭ শতাংশ কৃষি জমি চাষাবাদ করতে ২০১০ সালে জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করলে ওই বছরের ৭ অক্টোবর কয়েক শর্তে ইকবাল হোসেনকে চাষাবাদের জন্য লীজ দেওয়া হয়। কিন্ত অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন লীজের শর্ত লঙ্ঘন করে বসত বাড়ি নির্মান করেন। লীজের ভরাটকৃত জায়গা বন-বিভাগ থেকে বিভিন্ন প্রজাতির রোপনকৃত গাছ গত কিছু দিন পূর্বে কর্তন করে পেলেন অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন। যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ টাকা। সেই লীজের জমিতে এখন ইকবাল হোসেন বসতঘর নির্মাণের পাঁয়তারা করছেন। তবে অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন লীজ নেওয়ার দিন থেকেই আবাদী কৃষি জমি চাষাবাদ না করে মাটি দ্বারা ভরাট করেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বন-বিভাগের কর্তনকৃত গাছ পড়ে রয়েছে। আর কিছু গাছ ‘স’মিলে ভাঙ্গিয়ে ঘর তৈরির জন্য সরঞ্জাম হিসেবে স্তুুপ করে রেখেছেন।
এ নিয়ে ইকবাল হোসেনের পার্শ্বে লীজ নেওয়া জনৈক ব্যক্তিদের সাথে বাগ-বিতন্ডা হলে তাদের উপর হামলা চালান তিনি। ইকবাল হোসেনে বিতর্ক কর্মকান্ড নিয়ে হাজীগঞ্জ থানা তার বিরুদ্ধে ভূক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বর্তমানে প্রবাসী আলমগীর হোসেনের ছেলে রিয়াদকে প্রান-নাশের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছেন ইকবাল হোসেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাছান মানিক বলেন, লীজ নেওয়া সম্পত্তি চাষাবাদ ছাড়া কেউ শ্রেনি পরিবর্তন করতে পারবেনা। ইউনিয়ন তওসিলদারকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে সত্যতা জেনে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।