অনলাইন প্ল্যাটফরমে চাকরি দেওয়ার মিথ্যা আশ্বাসে প্রতারণা, ঋণ দেওয়া, প্রতারণামূলক অ্যাপ ব্যবহারের মতো নতুন সাইবার অপরাধ বেড়েছে। এসব অপরাধ বেড়েছে ২৮১.৭৬ শতাংশ। এ ছাড়া সাইবার বুলিং কিছুটা কমলেও বেড়েছে অনলাইন কেনাবেচায় অপরাধ।
সাইবার স্পেসে ভুক্তভোগীদের দেওয়া মতামতের ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশ সাইবার অপরাধপ্রবণতা-২০২৩’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
শনিবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন (সিক্যাফ)। সংগঠনের সভাপতি কাজী মুস্তাফিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনের নানা দিক তুলে ধরেন গবেষণা পর্ষদের সদস্য স্বর্ণা সাহা।
সংগঠনটির কার্যনির্বাহী সদস্য খালেদা আক্তার লাবনীর সঞ্চালনায় প্রতিবেদনের ওপর আলোচনা করেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া, বিটিআরসির সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাসিম পারভেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাশেদা রওনক খান, সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতাবিষয়ক জাতীয় কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মো. মুশফিকুর রহমান প্রমুখ।
ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে আলোচনায় অংশ নেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বিজিডি ই-গভ সার্ট প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বালুঘড়ি মডেল কাঠামোর ভিত্তিতে এই গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। সিক্যাফ আট বছর ধরে ব্যক্তি পর্যায়ে সাইবার অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের নিয়ে জরিপের মাধ্যমে গবেষণা চালিয়ে আসছে। গবেষণায় ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ থেকে ১৪ এপ্রিল ২০২৩ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের তূলনামূলক পর্যালোচনা উপস্থাপন করা হয়েছে।
নতুন ধরনের অপরাধের মাত্রা বেড়েছে : প্রতিবেদনে ১১টি ট্যাবে করা তথ্য বিশ্লেষণে ‘অন্যান্য’ অপরাধ ২০২২ সালের প্রতিবেদনে ছিল ১.৮১ শতাংশ।
এবারের প্রতিবেদনে এটি ২৮১.৭৬ শতাংশ বেড়ে মোট অপরাধের ৬.৯১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ
E/N