কুমিল্লার দাউদকান্দিতে যুবলীগ নেতা জামাল হোসেন হত্যাকাণ্ডের তিন দিনের মাথায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ মে) দিবাগত মধ্যরাতে ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেছেন নিহতের স্ত্রী পপি আক্তার। মামলায় ৯ জনকে এজাহারনামীয় ও আটজনকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে আসামি করা হয়েছে। তবে আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন ভূঞা বলেন, জামাল হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে আসামিদের নাম বলা যাচ্ছে না। আসামিদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।
তিনি আরো বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের সঙ্গে অন্যান্য সংস্থাও আন্তরিকভাবে কাজ করছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
রবিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে দাউদকান্দির গৌরীপুর পশ্চিম বাজার ঈদগাহ এলাকার মসজিদ গলিতে যুবলীগ নেতা জামাল হোসেনকে (৪০) গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তিনি কুমিল্লার তিতাস উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। জামাল হোসেন তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি নোয়াগাঁও গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে। তিনি গৌরীপুর পশ্চিম বাজার এলাকার ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং ওই বাজারের ব্যবসায়ী ছিলেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকে গৌরীপুর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় গৌরীপুর বাজারে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। এরই মধ্যে ওই যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনার সময়ের কয়েকটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়- যুবলীগ নেতা জামাল হোসেন হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া তিন দুর্বৃত্তের সবাই ছিলেন বোরকা পরা। দশ সেকেন্ডের মধ্যে তারা পরপর তিনটি গুলি চালিয়ে জামালের মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যান।
সূত্র: কালের কণ্ঠ
E/N