দীপু মনি বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমের পাঠ্যপুস্তকে কোনো ভুল থাকলে সেটির সত্যতা যাচাই-বাছাই করে কথা বলা উচিত। সবার বাড়িতে স্কুলের শিক্ষার্থী আছে। কেউ না থাকলেও অন্তত মোবাইলে এনসিটিবির পাঠ্যপুস্তকগুলো দেখে তারপর কথা বললে ভালো হয়। কারণ আমরা যেন কেই অসচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার অংশীদার না হই।
তিনি বলেন, বইয়ে যা নেই তা দিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, আপনারা গুজবে কান দেবেন না। চিলে কান নিয়েছে বলে চিলের পেছনে না দৌঁড়ে নিজের কানে হাত দিয়ে দেখুন কান নিজের কাছে আছে কিনা।
দীপু মনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে গবেষণার জায়গা। ফলে গবেষণা নিয়ে কাজ করতে হবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা হন মেধাবী। তাদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনলে তারা আরো গুণগত শিক্ষা শিক্ষার্থীদের মাঝে বিলিয়ে দিতে পারবেন। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যায়েও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ
E/N