আজ শুরু হচ্ছে নকআউট পর্বের রোমাঞ্চকর লড়াই। এই পর্বে আর ভুল শুধরে নেওয়ার দ্বিতীয় সুযোগ পাবেন না মেসিরা। জিতলে কোয়ার্টার ফাইনাল, হারলে বিদায়। আজ নকআউট রোমাঞ্চের প্রথম দিনে রাত ৯টায় নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্র এবং রাত ১টায় মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রেলিয়া। এ দুই ম্যাচের বিজয়ী দলের দেখা হবে কোয়ার্টার ফাইনালে।
মেক্সিকো ও পোল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় শেষ ষোলোতে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পেয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে প্রথম ম্যাচের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে র্যাংকিং ও শক্তিতে অনেক পিছিয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়াকে সমীহ করে কথা বলছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি ও অধিনায়ক লিওনেল মেসি। বিশ্বকাপে নিজেদের সেরা ছন্দ খুঁজে পাওয়ার খুশিতে বুঁদ হয়ে ফের পথ হারাতে নারাজ দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
পোল্যান্ডকে হারানোর দুদিনের মধ্যে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নামাটা এমনিতেই চ্যালেঞ্জিং। হালকা চোট সমস্যায় ভুগছেন দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় আনহেল দি মারিয়া। মেসির সামনে আরেক চ্যালেঞ্জ। পাঁচ আসর মিলিয়ে বিশ্বকাপে তার আট গোলের সবকটিই গ্রুপপর্বে। পোল্যান্ডের বিপক্ষে পেনালটি মিস করা আর্জেন্টাইন মহাতারকা নকআউট পর্বের ম্যাচে কখনো গোল করতে পারেননি।
আজ সেই অচলায়তন ভাঙার চ্যালেঞ্জ মেসির সামনে। সবমিলিয়ে অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক মেসিদের কোচ স্কালোনি, ‘আমাদের মতো কঠিন দুটি ম্যাচ জিতেই তারা এখানে এসেছে। অস্ট্রেলিয়াকে সহজ প্রতিপক্ষ ভাবার ভুল আমরা করব না। সৌদি আরবের বিপক্ষে আমরা দেখেছি, বিশ্বকাপে ফেভারিট বলে কিছু নেই।’
ফ্রান্সের কাছে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরুর পর তিউনিসিয়া ও ডেনমার্ককে হারিয়ে ১৬ বছর পর নকআউট পর্বে ওঠা অস্ট্রেলিয়াও নিজেদের আন্ডারডগ ভাবছে না। গত বছর টোকিও অলিম্পিকে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনাকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। সেই জয় থেকেই প্রেরণা খুঁজছেন অস্ট্রেলিয়া কোচ গ্রাহাম আরনল্ড, ‘আমরা কী জিতব? অবশ্যই! গত বছর টোকিও অলিম্পিকে আর্জেন্টিনাকে ২-০ গোলে হারিয়েছি আমরা। এটা হলুদ ও নীল-সাদা জার্সির লড়াই। ১১ জনের বিপক্ষে ১১ জনের লড়াই। লড়াইটা শুধু মানসিকতা ও তাড়নার। এই লড়াইয়ে জিতে আমরা ব্রাজিলের সঙ্গেও খেলতে চাই।’