ঘুর্ণিঝড় সিত্রাং-এর প্রভাবে চাঁদপুর জেলা’সহ ১৫টি জেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ দেখিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, বিকেলে যা রুপ নিয়েছে ধমকা হাওয়ায়।
রাতে ঝড়ো হাওয়ার চাঁদপুর-লাকসাম রেল লাইনের উপর গাছ ভেঙ্গে পড়লে বন্ধ হয়ে যায় রেল চলাচল। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে রেল লাইনের উপর থেকে গাছ সরিয়ে রেল চলাচল স্বাভাবিক করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
রাতভর ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এর ঝড়ো হাওয়ায় গাছ ভেঙ্গে সড়কে, কোথাও গাড়িতে আবার কোথাও উড়িয়ে গেছে কারো বসতঘরের ছাউনি।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়ার্ড গুলো ঘুরে দেখা গেলো, উপজেলার ৬নং বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের সোনাইমুড়ি গ্রামে বৈদ্যুতিক তারের উপর উপড়ে পড়েছে গাছ।
পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ডের নুর ইসলামের ছেলে সিদ্দিকের বসত ঘরের ছাউনি উড়িয়ে গেলে আশ্রয় নেয় অন্যের ঘরে।
খবর পেয়ে ২নং বাকিলা ইউনিয়নের সন্না গ্রামে ছুঁটে যান ফায়ার সার্ভিস। সেখানে গিয়ে ঝড়ের কবলে বিধস্ত ঘরের ভিতর আটকে থাকা দুই ব্যাক্তিকে উদ্ধার করেন তারা।
জানতে চাইলে হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবু মো. সাজেদুল কবির জেয়াদ্দার পপুলার বিডিনিউজকে সিত্রাং-এর ঘটনার তথ্য তুলে ধরেন।
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এর তান্ডবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক পথে গাছ ও বিদুৎতের খুঁটি উপড়ে পড়ে। হাইমচরে অজ্ঞাত এক ব্যাক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।