মাটির চুলা, তাওয়া ও হাত পাখা ব্যবহার করে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ বাজারের প্রধান সড়কের পাশে আটার তৈরি রুটি বিক্রি করে সংসার চালান ৫৯ বছর বয়সী জয়নাল আবেদীন।
তার প্রতিদিনের মূলধন শুধু ২/৩ কেজি আটা, একটি তাওয়া, মাটির চুলা ও একটি হাত পাখা। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে নিজের হাতে কোন প্রকার কেমিক্যাল না মিশিয়ে রাত ৯/১০ পর্যন্ত রুটি বিক্রি করে সংসার চালান তিনি। এতে তার আয় হয় ২’শ থেকে ৩’শত টাকা। এতেই ৩ সদস্যের পরিবার নিয়ে ভালোই আছেন তিনি।
বড় ছেলে কয়েক বছর আগে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন। ছোট ছেলের বয়স মাত্র১২ বছর। পৈত্রিক ভিটা না থাকায় দীর্ঘ দিন যাবৎ শশুরের দানকৃত ভিটায় বসবাস করছেন জয়নাল।
জয়নাল জানান, মূলধনের অভাবে এক কাজেই রয়েছি। হাজীগঞ্জের মতো জায়গায় দোকান নিতে হলে ২০/৫০ লাখ টাকার প্রয়োজন। আমার দ্বারা এতো টাকা সংগ্রহ করা সম্ভবপর নয়। তাছাড়া নিজের ভিটে-মাটি নেই সেখানে মূলধনের কথা ভাবতে পারিনা।
১৯৮৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত ব্যবসা করে আসছেন তিনি। যদিও পুলিশ হকার উচ্ছেদ অভ্যাহত রেখেছে তবে যথাসাধ্য সহযোগিতা করছে তাকে প্রশাসন।
জয়নাল আবেদীন হাজীগঞ্জ উপজেলার ৭নং বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের নাটেহরা গ্রামের বাসিন্দা। তবে পত্রৈক সম্পত্তি না থাকায় হাজীগঞ্জ পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ড রান্ধুনীমূড়া গ্রামে থাকে।