POPULAR BD NEWS
Popular BD News Logo

চোখ ওঠা থেকে কীভাবে সতর্ক থাকবেন

পপুলার বিডিনিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: অক্টোবর ৮, ২০২২ | সময়: ২:২০ অপরাহ্ণ

এ সময় আমাদের দেশে চোখের যে সংক্রমণটি প্রায় মহামারির পর্যায়ে পৌঁছেছে তার নাম কনজাংটিভাইটিস। সাধারণ ভাষায় যাকে ‘চোখ ওঠা’ বলে। এটি মারাত্মক ছোঁয়াচে। আক্রান্ত ব্যক্তির চশমা, তোয়ালে, রুমাল, টিস্যু পেপার, বালিশ বা প্রসাধনী কোনো সুস্থ ব্যক্তি ব্যবহার করলে তারাও আক্রান্ত হতে পারেন। বিশেষ করে অসুস্থ ব্যক্তির চোখের পানি কোনো সুস্থ ব্যক্তির চোখে লাগলে তারও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অধিক। অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও চোখ ওঠার অন্যতম কারণ।

* কেন চোখ ওঠে

তিনটি কারণে চোখ ওঠা রোগ হয়। সবচেয়ে বেশি যেটি হয় তা হচ্ছে অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস। বর্তমানে চোখ ওঠার প্রধান কারণ হচ্ছে ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিস। এ ছাড়া ভাইরাল কনজাংটিভাইটিসও রয়েছে। ভাইরাল কনজাংটিভাইটিসে চোখ ফুলে যায় ও চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়ে। অন্যদিকে ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিসে চোখে হলুদ বা সবুজ রঙের আঠালো পুঁজ জমবে। অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস হলে ফুলের রেণু, পশু-পাখির পালক বা ধুলাবালি ও ধোঁয়াতে অ্যালার্জি থাকলে তার প্রতিক্রিয়ায় চোখ উঠতে পারে। ইরিট্যান্ট বা সংস্পর্শজনিত কনজাংটিভাইটিসে বিভিন্ন পদার্থের সংস্পর্শে চোখ জ্বালাপোড়া করতে পারে। যেমন শ্যাম্পু, সাবান, সুইমিংপুলের ক্লোরিনযুক্ত পানি, ধোঁয়া, চোখের আলগা পাপড়ি বা ল্যাক্স এক্সটেনশনে ব্যবহৃত কেমিক্যাল ও আঠার ঘষায় চোখ উঠতে পারে। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রসাধনী, চশমা, কন্ট্যাক্টলেন্স, রাসায়নিক কিংবা আই ড্রপের প্রভাবে চোখ উঠতে পারে। ক্ল্যামিডিয়া ও গনোরিয়ার প্রভাবেও চোখ ওঠার আশঙ্কা থাকে।

* চোখ ওঠার লক্ষণ

চোখের সাদা অংশ বা কনজাংটিভা লাল বা টকটকে লাল দেখাবে। প্রথমে এক চোখ আক্রান্ত হয় তারপর অন্য চোখে ছড়িয়ে পড়ে। চোখে চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা খচখচে ভাব, চোখের ভেতরে কিছু আছে এমন অনুভূতি হয়। চোখ থেকে বারবার পানি পড়ে, চোখের পাতায় পুঁজ জমে ও পাপড়িতে যা আঠার মতো লেগে থাকে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চোখের পাতা খুলতে কষ্ট হয়। চোখের পাতা লাল হয়ে ফুলে চোখ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে।

* ঘরোয়া চিকিৎসা

একটি পরিষ্কার তুলা বা সাদা পরিষ্কার নরম সুতির কাপড় গরম পানিতে ডুবিয়ে চেপে নিয়ে আলতো করে ওই কাপড় বা তুলা দিয়ে চোখের পাতা ও পাপড়ি পরিষ্কার করতে হবে। দিনে কয়েকবার এটি করা যেতে পারে। দুটি চোখের জন্য আলাদা কাপড় বা তুলা ও পানির পাত্র ব্যবহার করতে হবে। গরম সেঁক দেওয়ার কয়েক মিনিট পর বরফ বা ঠান্ডা পানিতে কাপড় ও তুলা ডুবিয়ে ঠান্ডা সেঁক দেওয়া যেতে পারে। চোখের ওপর চাপ পড়ে এমন কোনো কাজ এ সময় করা যাবে না। যেমন বেশিক্ষণ মোবাইল বা কম্পিউটারে থাকা বা ছোট ছোট লেখা পড়া।

সূত্র :যুগান্তর
H/N

পপুলার বিডিনিউজ | বস্তুনিষ্ঠতা প্রকাশে দুরন্ত
কার্যালয়: কেনাকাটা মার্কেট, ৪র্থ তলা, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
নিউজ ও বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৬-৪৬৯৫০৫ | ইমেইল: newspopular2020@gmail.com

© 2026 পপুলার বিডিনিউজ — অনুমতি ছাড়া লেখা/ছবি/ভিডিও ব্যবহার বেআইনি
প্রিন্ট করুন