বাংলাদেশ দলে সাকিবের সঙ্গে ফিরেছেন মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ নাঈম। সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সফরে বিশ্রামে ছিলেন মুশফিক। নাঈম প্রাথমিকভাবে এশিয়া কাপের দলে না থাকলেও সুযোগ পান নুরুল হাসান ছিটকে যাওয়াতে। এনামুল হকের সঙ্গে ওপেনার হিসেবে আজ একাদশে আছেন তিনি।
চোট কাটিয়ে ফেরা অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনও আছেন দলে।
বাংলাদেশ একাদশ
সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), এনামুল হক, মুশফিকুর রহিম, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোহাম্মদ নাঈম, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ
২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক বাংলাদেশের। খুলনায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেই ম্যাচেই অভিষেক সাকিব আল হাসানেরও। সেই সাকিব আজ খেলতে যাচ্ছেন ১০০তম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি। মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিমের পর বাংলাদেশের তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে শততম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলতে যাচ্ছেন সাকিব।
হেড কল করেছিলেন আফগান অধিনায়ক মোহাম্মদ নবী। টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। স্কোর বোর্ডের চাপে আফগানিস্তানকে রাখতে চান বলে এমন সিদ্ধান্ত তাঁর।
অন্য দলগুলোর মতো বাংলাদেশও এত দিন অনুশীলন করেছে দুবাইয়ে। তবে প্রথম ম্যাচ খেলতে হচ্ছে শারজায়। ক্রিকেটের বিখ্যাত এ ভেন্যুর স্পিন সহায়ক উইকেট ও ছোট বাউন্ডারি আলোচনায় আছে আগে থেকেই। গতকাল ঝটিকা সফরে শারজার কন্ডিশন দেখতে গিয়েছিলেন টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ ও টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট শ্রীধরন শ্রীরাম।
শারজা থেকে মোহাম্মদ জুবাইর লিখেছেন, ‘এই মাঠের প্রেসবক্সটাও অদ্ভুত। ডানহাতি ব্যাটসম্যানের জন্য লং অফ বাউন্ডারিটা পার হলেই সাংবাদিকদের বসার ব্যবস্থা। সামনে কোনো কাচের দেয়াল নেই। সেখানে বসে খুব একটা নিরাপদ বোধ করার কথা না কারোরই। মোটামুটি টাইমিং হলেই ক্রিকেট বলটা লং অফ বাউন্ডারি ছাড়া করে বল আসতে পারে প্রেসবক্সের দিকে।
সূত্র : প্রথম আলো
H/N