হাজীগঞ্জ বাজারের বাসা বাড়ি থেকে ভিক্ষুক সেজে মোবাইল চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে জোসনা নামের এক মহিলা।
হাজীগঞ্জ বাজারে বাসা বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে অভিনব পদ্ধতি ভিক্ষুক সেজে মোবাইলসহ দামী দামী জিনিসপত্র চুরি করে আসছে। সিসি ক্যামেরা দেখে মোবাইল চুরির ঘটনাটি নিশ্চিত হয়েছে হোসেন মঞ্জিলের বাসিন্দারা। ওই সময় মহিলা চোর চক্রের হোতা জোসনাকে আটক করে স্থানীয়রা।
শুকবার জুমার নামাজ পড়তে যাওয়ার সুযোগে হাজীগঞ্জ বাজারের মকিমাবাদ ৪নং ওয়ার্ড গাউছিয়া হোটেলের পেছনে হোসেন মঞ্জিলে ভিক্ষুক সেজে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে চক্রটি। হোসেন মঞ্জিলের ২য় তলায় শাহানাজ বেগমের বাসায় চুরি করতে গিয়ে সিসি ক্যামেরায় দৃশ্যটি ধরা পড়ে। বাসায় দরজার সিটকারী খোলা দেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তারপর ভিতরে প্রবেশ করে শিশুটি।
মহিলা চোর জোৎন্সার সাথে দুটি শিশু সন্তান রয়েছে। এ শিশুদের চুরি করতে রেল লাইনের পাশে থাকা ভবঘুরে পরিবারের কাছ থেকে ভাড়ায় আনা হয়।
আটককৃত জোসনা জানায়, সে হাইমচরের চরভাঙ্গা ইউনিয়নের বাসিন্দা রেল লাইনের পাশে বসবাস করেন। প্রতিদিন মোবাইর চুরি করে ওইখানে একটি চক্রের হাতে অর্থের বিনিময়ে তুলে দেয়।
গেলো ১১ মে হোসনে মঞ্জিলের নিচ তলা থেকে মোবাইল চুরি করে জোসনার সাথে থাকা শিশুটি যার বয়স ১০ থেকে ১২ বছর। এ শিশুটি বাজার দরজা খোলা পেলেই ভেতরে প্রবেশ করে মোবাইল ও দামী দামী জিনিসপত্র হাতিয়ে পালিয়ে যায়।
ওই সময়ে সিসি ক্যামেরার ভিডিও মিলিয়ে ওই মহিলা ও তার সাথে থাকা দুটি শিশুকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় থানায় খবর দিলে এস.আই গোপীনাথ সঙ্গীয় ফোর্স থানায় নিয়ে যায়।