ঢাকায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরান। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি এ দেশে আছেন। বাংলাদেশে ব্যবসা-বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তুরস্কের সহযোগিতা বৃদ্ধির নানা প্রয়াসে যুক্ত রয়েছেন তিনি। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা বিষয়ে তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন প্রথম আলোর কূটনৈতিক প্রতিবেদক রাহীদ এজাজ।
দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব সম্পর্কের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছেন।
এখন বাংলাদেশের পর্যটকদের অন্যতম প্রধান গন্তব্য তুরস্ক। চিকিৎসার জন্যও যাচ্ছেন অনেকে।
প্রশিক্ষণসহ নানা ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতা ও সর্বোচ্চ পর্যায়ে বোঝাপড়া বেশ ভালো।
শুধু ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা প্রতিরক্ষা নয়, ব্যাপক পরিসরে অতীতের বছরগুলোর তুলনায় ঢাকা-আঙ্কারা সম্পর্ককে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
মোস্তফা ওসমান তুরান: বৃহত্তর প্রেক্ষাপট থেকে মূল্যায়ন করলে বলা যায়, আমরা এমন একটি পর্যায়ে রয়েছি, যা আমাদের সম্পর্ককে নতুন স্তরে নিয়ে যাবে। এ ধারা শুধু একটি বা দুটি নয়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে লক্ষণীয়। ধরা যাক, বাণিজ্য সম্পর্কের বিষয়টি। এ ক্ষেত্রে আমরা অনেক বেশি ভারসাম্যমূলক বাণিজ্যের দিকে এগোচ্ছি। আড়াই বছর আগে আমি যখন ঢাকায় আসি, দ্বিপক্ষীয় বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল সাড়ে আট শ মিলিয়ন ডলারের মতো। করোনাভাইরাস সংক্রমণের পরও গত বছরের শেষে সেটা এক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এ বছরের প্রথম চার থেকে পাঁচ মাসে ব্যবসার পরিমাণ গত বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি। আমরা শুধু বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি করছি না, বাংলাদেশ থেকে আমদানিও করছি। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে ক্রমবর্ধমান আগ্রহ দেখতে পাই। সিঙ্গার বাংলাদেশের অধিকাংশ শেয়ার কিনেছে তুরস্কের প্রতিষ্ঠান আর্সেলিক।
সূত্র: প্রথম আলো
H/N