চাঁদপুর জেলা ও আশপাশের জেলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে ডায়েরিয়া। প্রতিদিনই ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর প্রচুর চাপ লক্ষ্য করা যায়।
মতলব আইসিডিডিআরবি( আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র) হাসপাতালের দেয়া তথ্যানুযায়ী গত ৭ দিনে (৩০ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত) ২হাজার ৫৬৭ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৪ থেকে সাড়ে ৪ শতাধিক রোগী ভর্তি হচ্ছে। ভর্তিকৃত রোগীদের মধ্যে বশস্ক রোগীর সংখ্যাই বেশী। যাদের বয়স ২৫ থেকে ৭৫ বছর পর্যন্ত। যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় তিনগুন বেশী।
গত বছরের তুলনায় এ বছর এসময়ে রোগী ভর্তি হয়েছে তার দ্বিগুণ । আবহাওয়া জনিত কারনে এবং বাহিরের খাবার ও পঁচা /বাশি খাবারের কারনে ডায়েরিয়ার সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
https://fb.watch/ccW8ybG59K/
হাসপাতাল সূত্র জানায় ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হাসপাতালের ৩টি কক্ষে ধারণ ক্ষমতা ৭০ জন রোগীর। বারান্দায় তাবু টানিয়ে ৪ শতাধিক রোগী চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের ৩টি কক্ষে স্থান সংকুলান না হওয়ায় বারান্দায় বেড বিছিয়ে রোগীদের চিকিৎসা-সেবা দেওয়া হচ্ছে। ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে চাঁদপুর জেলা সদর, ফরিদগঞ্জ, হাইমচর, হাজীগঞ্জ, কচুয়া, শাহরাস্তি, মতলব উত্তর ও দক্ষিণ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর, কুমিল্লা জেলার বরুড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বুড়িচং, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা সদর, কুমিল্লা সদর উত্তর, দাউদকান্দি, দেবিদ্বার, হোমনা, লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, মুরাদনগর, নাঙ্গলকোট, তিতাস উপজেলা, কক্সবাজার বাজার সদর, ফেনী, কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া, লক্ষ্মীপুর জেলা সদর, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি উপজেলা, মুন্সিগঞ্জ জেলা সদর, নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ, চাটখিল, সোনাইমুড়ী, শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ, নারিয়া ও সখীপুর উপজেলা থেকে আসা রোগীরা চিকিৎসা-সেবা নিচ্ছে। তবে মতলবের ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা খুবই কম।
E/N