২৫ বছর হয়ে গেল এইচএসসি পরীক্ষার বিদায় অনুষ্ঠান। তারপর আর দেখা হয়নি-কথা হয়নি অনেকের। সেই বিদায় অনুষ্ঠানের মাঠে ২৫ বছর পর সব বন্ধুরা হেমিলনের বাঁশির সুরে যেন জড়ো হলো। জানাশোনা হলো একে অপরের দিনকাল।
বলছিলাম হাজীগঞ্জ উপজেলায় ১৯৯৭ সালের এসএসসি ও ১৯৯৯ সালের এইচএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের কথা। দিন ব্যাপী ২৫ বছর পূর্তি রজত জয়ন্তী ও পুণর্মিলনী উৎসবে স্মৃতিচারণ আর আনন্দময় মেতে উঠলেন সবাই।
শুক্রবার সকাল থেকে হাজীগঞ্জ মডেল কলেজ ক্যাম্পাসে খাওয়া-দাওয়া, হাসি-খুশি,আড্ডা আর গানে মেতে উঠে তিন শতাধিক বন্ধুরা। তবে খাবার আইটেমে সকাল থেকে ফুচকা কপি আর জিলাপী ছিল আনলিমিটেড। যে যার ইচ্ছে মতো এই তিনটি খাবার যত খুশি খেয়েছেন।
ওইসময় তাদের পরিবারের লোকজনও বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাওয়ার সেলের মহা-পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হোসাইন।
অনুষ্ঠানে পুরোনো বন্ধুদের সাথে আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠে হাজীগঞ্জ মডেল কলেজের ক্যাম্পাস।
অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন উদযাপন কমিটির আহবায়ক রোটারিয়ান কমল, প্রধান সম্বনয়ক ফরিদুল ইসলাম, সদস্য সচিব মো. আহসান হাবীব ফিরোজ, যুগ্ন আহবায়ক মো. মহিব উল্ল্যাহ বাহার, মো. শাহাব উদ্দিন, জিএম আনোয়ার হাসান আহম্মেদ সুজন, মো. দেলোয়ার হোসেন। সাংস্কৃতিক উপ- কমিটির আহবায়ক কাজী গোলাম ছরওয়ার দিদারের পরিচালনায় প্রথমেই কোরআন তেলাওয়াত, গিতা পাঠ ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এর পর বাচ্চাদের জন্য চামচ মারবল খেলা, ব্যঙ খেলা, ট্রেনিস বল থ্রু খেলা, মহিলাদের চেয়ার খেলা ও হাঁড়ি ভাঙা খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
পড়ন্ত বিকালের পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লটারী ড্র ও ক্রেস্ট বিতরণের মধ্য দিয়ে রাতে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।