চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীদের হিজাব কিংবা গেরুয়া শালসহ যেকোনো ধরনের ধর্মীয় পোশাক পরার ক্ষেত্রে বিরত থাকার আদেশ দিয়েছেন কর্ণাটক হাইকোট। বৃহস্পতিবার হিজাব ইস্যুতে এই অন্তর্বর্তী আদেশ দেন কর্ণাটক হাইকোর্ট।
ওই অন্তর্বতী আদেশে যতদিন এই পুরো বিষয়টি আইন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে, ততদিনের জন্য স্কুল এবং কলেজ প্রাঙ্গনে হিজাব এবং জাফরান শাল উভয়ের ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই ইস্যুতে আগামী সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ২:৩০ মিনিটে মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়েছে কর্ণাটক আদালত।
কর্ণাটক হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ঋতু রাজ অবস্থি, বিচারপতি কৃষ্ণ এস. দীক্ষিত এবং বিচারপতি খাজি জাইবুন্নেসা মহিউদ্দিনের সমন্বয়নে তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই অন্তর্বর্তী আদেশ দেন।
রাজ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার এবং স্কুল-কলেজগুলো শিগগিরই খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন হাইকোর্ট বেঞ্চ।
এর আগে ক্লাসে ছাত্রী হিজাব পরতে পারবে কী না, তার সমাধানে কর্ণাটক হাইকোর্টে পিটিশন দাখিল করেন কর্ণাটক সরকারি কলেজের পাঁচ ছাত্রী।
পাঁচ ছাত্রীর পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে কর্ণাটক হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রিতু রাজের নেতৃত্বে বিচারকদের একটি প্যানেলের প্রতি উল্লেখ করে মামলার শুনানিকারী বিচারক বলেন, এই বিষয়গুলো ব্যক্তিগত আইনের কিছু দিক বিবেচনা করে মৌলিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে কিছু সাংবিধানিক প্রশ্ন সামনে আনে।
সূত্র: যুগান্তর
E/N