টনসিলের চিকিৎসার জন্য হাজীগঞ্জ পৌরসভার বলাখাল তুলাতল মেসার্স অর্পণ মেডিকেল হলের পল্লী চিকিৎসক উৎপল সাহার কাছে যান গৃহবধূ খাদিজা বেগম। বলাখাল গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা আবু ইউসুফে স্ত্রী এই গৃহবধূ।
শুক্রবার সকালে সরজমিনে গিয়ে জানা গেলো ঘটনার বর্ণনা। খাদিজা বেগমের টনসিলের ব্যথা কমানোর জন্য উৎপল সাহা টোরাডলিন ৩০ ইনজেকশন কোমরের পুশ করে। কিছুক্ষণের মধ্যে ডান পায়ের যন্ত্রণা বেড়ে যায়। একপর্যায়ে খাদিজা বেগম পায়ের যন্ত্রণায় চলাচল করতে অক্ষম হয়ে উঠে। বিষয়টি উৎপল সাহাকে জানানোর পর বিভিন্ন সময় রিজারবিক্স ১শ এমজিসহ বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগ করে। এভাবেই একসপ্তাহ প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা চালিয়ে যান তিনি।
ভুক্তভোগী খাদিজা বেগম বলেন, টনসিলের সমস্যার কারনে কেনো পাঁজরে ইনজেকশন দেয়া হলো। আর কি ইনজেকশন দেয়া হয়েছে তাও জানানো হয়নি। এই ইনজেকশন দেয়ার পর থেকে হাঁটাচলা করতে পারেন না তিনি। এখন প্যারালাইসিস এর মতো হয়ে যাচ্ছে।
খাদিজা বেগমের স্বামী আবু ইউসুফ বলেন, উৎপল সাহার ভুল চিকিৎসার কারনে তার স্ত্রী পঙ্গুত্ব বরণ করার পথে। তার ছোট দুইটি সন্তান তাদেরকে নিয়ে বিপাকে রয়েছেন দিনমজুর ইউসুফ। তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় প্রশাসনের মাধ্যমে সুবিচার প্রত্যাশা করেন তিনি।
জানতে চাইলে বলাখাল তুলাতল মেসার্স অর্পণ মেডিকেল হলে পল্লী চিকিৎসক উৎপল সাহার বলেন, ইনজেকশন দেয়ার পর তিনি ম্যাসেজ না করার কারনে এমন হতে পারে। তারপরও ভুল হয়েছে বুঝতে পেরে প্রাথমিক ভাবে হাজীগঞ্জ দু’টি হাসপাতালের কয়েকজন ডাক্তারকে দেখানো হয়েছে। তবে সঠিক ভাবে ব্যায়াম করলে পা ঠিক হয়ে উঠবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।