একযোগে পুরো চাঁদপুর জেলার ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে পরিবেশ দূষণকারী ইটভাটা এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও ছাড়পত্রবিহীন অবৈধ ইটভাটাকে অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে। ওই সময় আটটি ইটভাটাকে পাঁচ লাখ টাকা ও একটি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করতে দেওয়া হয়েছে।
৩১ জানুয়ারি সোমবার সারাদিন জেলার প্রতিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। মোবাইল কোর্টে ২০১৩ সালের আইন (সংশোধিত- ২০১৯) এর আওতায় ইটভাটা গুলোকে জরিমানা করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপনে পরিবেশ দূষণকারী ইটভাটা এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও ছাড়পত্রবিহীন আটটি ইটভাটাকে মোট পাঁচ লাখ টাকা ও একটি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
মোবাইল কোর্টে জেলার সদর উপজেলার মেসার্স এএমএস ব্রিক ফিল্ডকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন চাঁদপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল চৌধুরী, মতলব দক্ষিণ উপজেলার সিএসবি ইটভটাকে ৫০ হাজার টাকা, শাহপরান ইটভাটাকে ৭০ হাজার টাকা ও কে এস বি ইটভাটাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সেটু বড়ুয়া, হাইমচর উপজেলার মাতুব্বর জমাদার ইটভাটাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, কচুয়া উপজেলার গাউছুল আজম ব্রিক ফিল্ডকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইবনে আল জায়েদ, ফরিগঞ্জ উপজেলার মেসার্স মাহবুব ব্রিক ফিল্ডকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরি, শাহরাস্তি উপজেলার মাহেলা ব্রিক ফিল্ডকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরিন আক্তার।
এছাড়া মতলব উত্তর উপজেলার নাজির আহমদ ব্রিকসে অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনা ও আইনী বৈধতা না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হেদায়েত উল্লাহ।