মাইজভাণ্ডার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পার্লামেন্ট অফ ওয়ার্ল্ড সুফীজ প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী বলেছেন, বাংলাদেশ সূফী সাধকদের পুণ্যভূমি। এদেশে হযরত শাহ্জালাল ইয়ামেনি (রঃ), হযরত শাহ্ পরাণ (রঃ), হযরত গাউসুল আযম সাইয়্যিদ আহমদউল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (কঃ), হযরত গাউসুল আযম সাইয়্যিদ গোলামুর রহমান বাবাভাণ্ডারী (কঃ) সহ অগণিত সুফি সাধকদের শুভাগমন হয়েছে। তারাই ইসলামের শাশ্বত বাণী এবং নবিজী (দ) এর শান্তি, সাম্য, ন্যায়, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির আদর্শ মানুষের মাঝে হেকমতের সাথে প্রচার করেছেন।
জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে তারা ভালোবাসার মাধ্যমে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আনার চেষ্টা করেছেন। মানবতাকেই তারা প্রাধান্য দিয়েছেন। সুফি মতবাদে উদ্বুদ্ধ শাসকগণও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় শাসন করেছেন। ফলে বাংলাদেশ বিশ্বে ধর্মীয় সম্প্রীতির রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। এ দেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী ।
উগ্রবাদীদের দ্বারা সংঘটিত কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার উদাহরণ থাকলেও সামগ্রিকভাবে এ দেশে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে একটি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। ফলে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নকে তরান্বিত করছে।
২৯শে ডিসেম্বর রাতে জামালপুর দরবার শরীফে আয়োজিত খলিফা এ গাউছুল আজম মওলানা নুরুল ইসলাম জামালপুরী (রহ.)স্মরণে সুন্নী মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন মহান মুক্তিযুদ্ধেও সুফি সাধকরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। অত্যাচারিদের বিরুদ্ধে তারা লড়াই করেছেন। বিশেষত মাইজভাণ্ডার শরীফ ছিল মুক্তিযুদ্ধের একটি ঘাটি ও আশ্রয়স্থল।যেখানে মুক্তি সংগ্রামের দীর্ঘ নয় মাস লাল-সবুজের পতাকা উড্ডীন ছিল।
মওলানা নুরুল ইসলাম জামালপুরী (রহ.) এর একমাত্র ছেলে মাওলানা রওনকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মোহাম্মদ রেজাউল করিম রেজনুর আয়োজনে অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন, মুফতি বাকি বিল্লাহ্ আল আযহারি, মাওঃ রুহুল আমিন ভূইয়া চাঁদপুরী, মুফতি মাকসুদুর রহমান, মাওঃ হাসান আহমেদ, মাওঃ আজমাইন আসরার , হাফেজ মাওঃ নাজের হোসাইন , মাওঃ মনসুর আলী,হাফেজ সোলায়মান বাদশা প্রমুখ।
E/N