কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্টের কাছে ছয়তলা ভবনে ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যালয়। ভবনের তিনতলার একটি কক্ষে চারদিন ধরে অনেকটা ‘বন্দিজীবন’ কাটাচ্ছেন দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা নারী। সঙ্গে আছেন আট মাস বয়সী সন্তান ও তাঁর স্বামী।
ট্যুরিস্ট পুলিশের দাবি, তাঁদের ‘বন্দী’ করে রাখা হয়নি। নিরাপত্তা যেন বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য তাঁদের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাঁদের ঠিকমতো খাবারদাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। এর আগে ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করা হয়।
দুই দিন ধরে ধর্ষণের শিকার নারী ও তাঁর স্বামীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা চালান এই প্রতিবেদক। কিন্তু ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে অনুমতি পাওয়া যায়নি।
কারণ জানতে চাইলে ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, তাঁরা বিশ্রামে আছেন, কথা বলতে হলে সময় লাগবে। তবে একসঙ্গে কয়েকজন সাংবাদিকের সামনে তাঁদের মুখোমুখি করার চেষ্টা চলছে। তখন সবকিছু জানা যাবে।
তবে মুঠোফোনে ওই নারীর স্বামী বলেন, ঘটনার (২২ ডিসেম্বর রাতে) পর থেকে তাঁদের তিনজনের গোসল হয়নি। ঠিকমতো ঘুম ও খাওয়াদাওয়া হচ্ছে না। কোলের শিশুটা অসুস্থ। কিন্তু নিরাপত্তার কথা বলে তাঁদের ছাড়া হচ্ছে না। তবে এ কথাও সত্যি, ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসী আশিকের শক্তিশালী বাহিনী আছে শহরে। সে দিক বিবেচনা করে তাঁরাও এখানে থেকে যেতে রাজি হয়েছেন। ‘কিন্তু এভাবে কত দিন! আমরা বাড়ি ফিরতে চাই,’ ওই নারীর স্বামীর কণ্ঠে আকুতি।
সূত্র: প্রথম আলো
E/N