মুশফিকুর রহিম আর ইয়াসির আলী চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করেছিলেন। তৃতীয় দিন শেষ বিকেলে দ্রুত ৪ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর এ দুজনই ধস ঠেকিয়েছিলেন। আগের ইনিংসে ৯১ রানে ফেরা মুশফিকের ওপর বড় ভরসাই ছিল। কিন্তু তিনি ফিরলেন দিনের প্রথম ওভারেই। শুরুতেই আঁধার নেমে আসে রৌদ্রকরোজ্জ্বল চট্টগ্রামে।
আগের ইনিংসে সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাস দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন বলে রক্ষা। সঙ্গে ছিলেন অভিষিক্ত ইয়াসির আলী। দুজনেই দায়িত্বশীল একটা জুটি (৬৯ বলে ৪৭) গড়েই লড়াইটা জারি রাখলেন। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ যে পাকিস্তানকে ২০২ রানের লক্ষ্যমাত্রা দিতে পারল, এর সিংহভাগ কৃতিত্ব দিতে হবে এ দুজনকে। ইয়াসিরের দুর্ভাগ্যই। লড়াইয়ে নেতৃত্বের ভূমিকা ছিল তাঁরই। কিন্তু শাহিন শাহ আফ্রিদির একটি শর্ট বলে বল থেকে চোখ সরিয়ে নিয়েই বিপত্তিটা বাঁধল। মাথার পেছনে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়তে হলো তাঁকে। একটি সম্ভাবনাময় ইনিংসের অপমৃত্যু ঘটে গেল সেখানেই।
সূত্র: প্রথম আলো
E/N