কুমিল্লা ভিক্টরিয়া কলেজের মার্স্টাসের শিক্ষার্থী উর্মি মজুমদার ও রিফাত হোসেন। একটি পরীক্ষায় অংশ নিতে তারা সকালে বাড়ী থেকে বেরিয়ে পড়েন। যাওয়া হলো না সেই শিক্ষাঙ্গনে। সাদ্দাম হোসেন একটি ভায়ভাই পরীক্ষায় অংশ নিতে বেরিয়ে পড়েন। তারও যাওয়া হলো না গন্তব্যে। তিনজনেই চলে গেল জীবনের শেষ গন্তব্যে। যেখান থেকে আর ফেরা হবে না। স্বপ্ন পূরণ হবে না পরিবারের।
বৃহস্পতিবার সকালে বিআরটিসির একটি বাস চাপায় প্রাণ যায় সিএনজিতে থাকা এই তিন যাত্রীর। ঘটনাটি কচুয়া-গৌরীপুর বিশ্বরোডের কচুয়া ডাক্তার বাড়ীর নামক স্থানে ঘটে। বৃহস্পতিবার সকালে ৭টায় এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তিন শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলে মারা যান। চালক মনির হোসেনকে গুরুতর আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
নিহতরা হলেন কুমিল্লা ভিক্টরিয়া কলেজের মার্স্টাসের শিক্ষার্থী দোহাটি গ্রামের উর্মি মজুমদার ও কোয়া গ্রামের রিফাত । আরেকজন হলেন চাঁদপুর সরকারি কলেজের অনার্সের ছাত্র নিশ্চিন্তপুর গ্রামের সাদ্দাম হোসেন।
প্রত্যক্ষদর্শী শরীফ হোসেন জানান, সকালে বিআরটিসি বাস ও সিএনজির মুখোমুখি সংর্ঘষ হয়। ঘটনাস্থলে তিনজন মারা যায়। আহত হয় দুইজন। একজনকে কচুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়। চালককে কুমিল্লায় প্রেরণ করেছে। ওইসময় উত্তেজিত জনতা বিআরটিসি বাসটি ভাংচুর করে।
কচুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিআরটিসি বাস ও সিএনজি জব্দ করা হয়েছে।