দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্ত্রীকে খুজে বেড়াচ্ছে স্বামী কামরুল ইসলাম। রায়পুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে একাধিক বার।
ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ¥ীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার চর বামনি ইউনিয়নের কলাকোপা গ্রামে।প্রাবসী কামরুল হাসান ১৯৯৮ সালে একই ইউনিয়নের সাইছা গ্রামের নিরুন্নবীর মেয়ে নাজমা আক্তারের সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে এক ছেলে এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।
সৌদি আরব প্রাবসী কামরুল হাসান জানান, দীর্ঘ ৩ বছর পর দেশে এসেছি। আসার স্ত্রী পর্ব থেকেই আমাকে হুমকি দিয়ে বলতেন যে আমি যেই দিন বাড়িতে আসবো সেই দিনই সে বাড়ি থেকে চলে যাবে।
আমি ভেবেছি আমার সাথে ফান করছে। আমি দেশে আসার ৯ মাস পূর্ব থেকে আমার সাথে আমার স্ত্রী নাজমা আক্তার কোন প্রকার কথা বলতো না। বাড়িতে টাকা পয়সা প্রয়োজন হলে ছেলে এবং মেয়ে আমার কাছে বলতো তার পরই আমি টাকা পাঠিয়ে দিতাম।

গত ১৫ নভেম্বর আমি বাড়িতে আসি ঐ দিন সন্ধ্যায় আমার বাড়ি হইতে সে কাউকে কিছু না বলে চলে যায়। পরবর্তীতে বহু খোঁজাখুজির পর ফরিদগঞ্জ উপজেলা কাউনিয়া গ্রামের জোকরদ্দি পাটওয়ারী বাড়ী হইতে থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে রায়পুর উপজেলা সাইছা গ্রামে তার বাবা জিম্মায় রাখা হয়েছে। পরর্তীতে ঐ বাড়ী থেকে ও কোন অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে যায় সে। নাজমার পিতা নুরুন্নবী জানান আমার মেয়ের মাথায় একটু সমস্যা হয়েছে আমি ভেবেছিলাম জামাই কামরুল হাসান বাড়িতে আসলে ডাক্তারের পরামর্শ নিবো।
এবিষয়ে কামরুন হাসান রায়পুর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন ১৭ই নভেম্বর ২১/ জিডি নং-৮১৩।
E/N