জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহন চলাচল বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলো।
বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন মো. মজুমদার।
তিনি বলেন, ডিজেলের দাম বাড়ানোর কারণে আমাদের পরিবহন চালানো সম্ভব নয়। হুট করে এই ধরনের দাম বাড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। ‘
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিকে কারণ দেখিয়ে মন্ত্রণালয় জানায়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার শুধু ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য প্রতি লিটার ভোক্তা পর্যায়ে ৬৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা পুনর্নির্ধারণ করেছে।
এদিকে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির পরপরই বাস ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানান বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েতুল্লাহ।
গতকাল বুধবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলা হয়, সেদিন রাত ১২টার পর থেকেই বাড়তি এই দাম কার্যকর হবে।
ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, ট্যাংকলরি, প্রাইম মুভার মালিক-শ্রমিক ঐক্যপরিষদ নামে সম্প্রতি একটি সংগঠন হয়েছে। তারা পণ্যবাহী যানবাহনের মালিক-শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্ব করে।
এই সংগঠনের আহ্বায়ক রুস্তম আলী খান ও সদস্যসচিব তাজুল ইসলাম জানান, মালিক-শ্রমিকেরা বাড়তি দামে জ্বালানি কিনে যানবাহন চালাতে চাইছে না। সারা দেশ থেকে ফোনে যান বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে তাঁরাও একমত হয়েছেন।
পরিবহন খাতের সূত্র বলছে, কেন্দ্রীয় সংগঠনগুলো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও তাঁরাই বাস বন্ধ রাখা বা আনুষ্ঠানিক ধর্মঘটের সায় দিয়েছেন। এখন বিআরটিএসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করে দাবি-দাওয়া তুলে ধরবেন তাঁরা। ভাড়া সমন্বয়ের আশ্বাস পেলে ধর্মঘট তুলে নেওয়া হবে।
আজ কিংবা আগামীকাল বিআরটিএর সঙ্গে বৈঠক হতে পারে বলে পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন।
সূত্র:প্রথম আলো
R/N