সবকিছু ঠিক থাকলে অমর একুশে বইমেলা-২০২২ ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকেই শুরু হবে। ইতোমধ্যেই বইমেলা ঘিরে শুরু হয়েছে নানা প্রস্তুতি। মেলার আয়োজক বাংলা একাডেমি এক মাস ধরেই এ নিয়ে কাজ করছে। এবার অনলাইনেও বইমেলা আয়োজনের বিষয়টি মাথায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছে তারা। গত কয়েক বছরের মতো এবারও মেট্রোরেলের চলমান কাজ এবং কোভিড পরিস্থিতি বইমেলা আয়োজনের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। প্রকাশকরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে গতবারের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে। দূর করতে হবে প্যাভিলিয়ন ও স্টলবিষয়ক কাঠামো নির্মাণের ত্রুটি। গত বছর প্রকাশকদের অসন্তোষের অন্যতম কারণ ছিল এই কাঠামো বিন্যাস।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা যুগান্তরকে বলেন, আগামী বইমেলা নিয়ে আমরা এক মাস আগে থেকেই কাজ শুরু করেছি। মেলা অন্যান্যবারের মতো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই হবে। অমর একুশে বইমেলার চিরায়ত নিয়ম অনুযায়ী মেলা যেভাবে শুরু ও শেষ হয় এবারও সেভাবেই হবে। আমরা এবার মূলত দৃশ্যমান বইমেলার পাশাপাশি অনলাইনেও বইমেলার বিষয়টি ভাবছি যেখানে অনলাইনেও বই বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হবে। অনলাইনের বিষয়টিও যেন বিকশিত হয় সেদিকে লক্ষ রেখেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।
অমর একুশে বইমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. জালাল আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, আমরা মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের কাজের অগ্রগতির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছি। আমরা আশা করছি এবারও তাদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাব। টিএসসি থেকে দোয়েল চত্বর এবং শাহবাগ থেকে দোয়েল চত্বর রাস্তায় এবারও আমরা সম্প্রসারিত জায়গা পাব। আমরা এখন প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো নিয়ে ব্যস্ত। বাংলা একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদের দুজন প্রতিনিধি, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পুলিশ, জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি, পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির প্রতিনিধিদের নিয়ে ইতোমধ্যে আগামী বইমেলা পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এবার এই কমিটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। শিগগিরই এই কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ বলেন, আমরা প্রকাশকরা চাই, অমর একুশে বইমেলার যে মূল থিম ও চরিত্র তার কেনো পরিবর্তন আনা যাবে না।
সূত্র: যুগান্তর
E/N